ফের উত্তপ্ত শীতলকুচি! তৃণমূল এবং বিজিপির লড়াইয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের

14
ফের উত্তপ্ত শীতলকুচি! তৃণমূল এবং বিজিপির লড়াইয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের

গতকাল সমস্ত অপেক্ষার অবসান হয়েছিল। ভোটের ফলাফল প্রকাশে আসার পর জানতে পারা যায় যে, আরো পাঁচ বছরের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে ভোটের ফলাফল প্রকাশে আসার পর আরও একবার রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ালো কোচবিহারের শীতলকুচি তে। সোমবার সকাল থেকেই রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায় সেখানেই। দু’পক্ষের গুলি চালাচালিতে মৃত্যু হল এক বিজেপি কর্মীর। তাই নিয়ে ফের অশান্ত হল কোচবিহারের এই স্পর্শকাতর’ কেন্দ্র।

প্রসঙ্গত, এই অঞ্চলের বিজেপি জিতেছে ব্যাপকহারে। তাই আরো একবার এখানে অশান্তি করার চেষ্টা করেছে তৃণমূল, এমনটাই দাবি করেছে বিজেপি। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা দেগঙ্গাতে আইএস এর সমর্থক খুন হয়েছেন। ভোটের দিন থেকে খবরের শিরোনামে রয়েছে কোচবিহারের কেন্দ্র। গত ১০ তারিখ ভোটের দিন এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ৪ জন ভোটারের, তাই নিয়ে রীতিমত তোলপাড় হয়ে গেছিল রাজ্য।

শীতলকুচি তে তৃণমূল প্রার্থী পার্থ প্রতিম রায় কে হারিয়ে দিয়ে বিজেপির প্রার্থী বরেন্দ্র চন্দ্র বর্মন জিতে গেছেন। এই ফলাফলের পর আরও একবার উত্তাপ ছড়িয়ে গেল শীতলকুচিতে। লড়াইয়ের মাঝে পড়ে প্রাণ হারাতে হলো তরতাজা এক যুবককে। তাকে নিজেদের সমর্থক বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। দিনহাটার হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাবার পর মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে চিকিৎসকদের তরফ থেকে।

এদিকে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সমষপুর গ্রামে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। সোমবার তৃণমূল এবং বিজিপির কর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। সেটা এক সময়ে চরমে উঠে যায়। গণেশ মালিক বলে একজন 60 বছরের বৃদ্ধ কে বেধড়ক পেটানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেছে চিকিৎসক। গণেশ মালিকের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী সমর্থক রা গণেশ মালিককে বাঁশ এবং লাঠি দিয়ে প্রহার করেছে। এইরকমই দৃশ্য দেখতে পাওয়া গেছে খেজুরি ভগবানপুর এবং উত্তর কাঁথি এলাকায়। ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, বহু বিজেপি সমর্থক ভয় পেয়ে গ্রাম থেকে পালিয়ে গেছেন।