এবার বাঙালির পাতে নাও চড়তে পারে ইলিশ! নিরাশার কথা শোনাচ্ছেন মৎস্যজীবীরা

10
এবার বাঙালির পাতে নাও চড়তে পারে ইলিশ! নিরাশার কথা শোনাচ্ছেন মৎস্যজীবীরা

বর্ষার শুরুতেই বাংলার বাজারে ইলিশের ঢল নামতে শুরু করে। প্রাক বর্ষার ইলশেগুড়ি বৃষ্টিতেই কার্যত নদীর জলে বড় বড় ইলিশ ধরা পড়ে। স্বাদে গন্ধে সেই ইলিশের জুড়ি মেলা ভার। তার উপর আবার ওপার বাংলার মেঘনা নদী থেকেও প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ঢোকে পশ্চিমবঙ্গে। প্রতিবারই এমনটাই হয়ে থাকে। তবে এই বর্ষায় কিন্তু বাঙালির পাতে ইলিশ মাছের দেখা সেভাবে মেলার সম্ভাবনা নেই। এমনই নিরাশার কথা শোনাচ্ছেন মৎস্যজীবীরা।

নিয়ম মেনে প্রাক বর্ষা মরসুমে ইলশেগুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলেও কিন্তু নদীতে সেভাবে ইলিশের দেখা মিলছে না। বাঙালির পাতে দেওয়ার মতো ইলিশের যোগান এই মুহূর্তে নেই বাজারে। এবছর অবশ্য নিয়ম মেনেই নির্দিষ্ট সময়ে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। প্রকৃতি যথার্থই ইলিশের উপযোগী রয়েছে। তবুও বাজারে ইলিশের দেখা নেই। এদিকে আবার বাংলাদেশ থেকেও ইলিশের আমদানি বন্ধ। সব মিলিয়ে চরম ইলিশ সংকটে ভুগছে বাংলার বাজার।

অন্যান্য বারে অবশ্য এই সময় থেকেই মৎস্যজীবীদের জালে ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করে। পদ্মার ইলিশের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। পরিবেশ অনুকূল থাকা সত্ত্বেও কেন ইলিশের এমন অভাব দেখা দিয়েছে তা নিয়ে চিন্তিত পরিবেশবিদরাও। মৎস্যজীবীদের প্রতিদিন আশাহত হতে হচ্ছে। সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। তবে এখনই কিন্তু আশা ছাড়তে রাজি নন তারা। তাদের আশা, বর্ষার এখনো অনেক বাকি। অতএব আগামী দিনেও যে গঙ্গা-পদ্মা বিমুখ করবে, এমনটা ভাবতে চাইছেন না নাকি কেউই।