এবার আর চিন্তা নেই সন্তানের পুষ্টি নেই, টেবিলে রাখুন এই খাবার গুলো

2331
এবার আর চিন্তা নেই সন্তানের পুষ্টি নেই

বাচ্চাদের সুস্থতা ও সঠিকভাবে বেড়ে ওঠা নিয়ে সব বাবা মায়েরা চিন্তায় থাকে। শিশুদেরই সঠিক ভাবে পুষ্টির প্রয়োজন। কারণ পুষ্টির ওপরই শিশুর সঠিকভাবে বেড়ে ওঠা নির্ভর করে।

অনেক খাবার আছে যা আপনার শিশুকে লম্বা হতে সাহায্য করবে। তাই এই খাবার গুলো আজ থেকেই যোগ করুন আপনার সন্তানের রেগুলার খাবারের তালিকায়।

দুধ : শিশুর বেড়ে ওঠা ও হাড় শক্ত করতে ক্যালসিয়াম খুবই উপকারি খাদ্য উপাদান। দুধ উচ্চতা বর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং এতে উপস্থিত ভিটামিন এ ক্যালসিয়াম ধরে রাখতে সাহায্য করে। সুতরাং শিশুকে নিয়মিত দুধ খেতে দিতে ভুলবেন না।

ডিম : ডিম ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। আর সুস্থ শরীর, শক্ত হাড় ও লম্বা হতে সেদ্ধ ডিম অবশ্যই শিশুর খাবার টেবিলে রাখা দরকার।

মাছ : মাছ প্রোটিন ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ । স্যালমন ও টুনার মত মাছে আছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন ডি ও প্রোটিন। যেটা আপনার শিশুর উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে।

দই : যে কোন দুগ্ধ জাতীয় খাবারে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে। এছাড়া দই-এ ভিটামিন এ, বি, ডি ও ই আছে যা শিশুর উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে।

মাংস : চিকেনে প্রোটিনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। এটি খেলে শরীরের টিস্যু ও পেশীর গঠন খুব ভাল ভাবে হয়। তাই আপনার শিশুকে চেষ্টা করবেন যাতে তাকে নিয়মিত চিকেন খাওয়ানোর।

গাজর : গাজরে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও এ আছে। ভিটামিন এ আপনার সন্তানের হাড়ের ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখে। এতে হাড় শক্ত ও সুস্থ থাকে।

পালং শাক : এই সবুজ শাকটিতে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও পুষ্টি আছে। এটা আপনার শিশুর উচ্চতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করবে।

মটরশুটি, ছোলা : এই ধরনের খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন-বি এবং আয়রন রয়েছে যেগুলো শরীরের কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ফলে লম্বা হতেও সাহায্য করে থাকে।

সবজি ও ফল : ফলের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সবাই জ্ঞাত। ভিটামিন-এ, ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ ফল যেমন- মিষ্টি আলু, আম, পেঁপে, টমেটো, কলা, আপেল ইত্যাদি উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।

জল : ক্যাফেইন, কার্বোনেট জাতীয় খাবার থেকে শিশুকে দূরে রাখতে চেষ্টা করবেন। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস জল পান করাবেন। জল পান শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে শরীরের বিপাক ক্ষমতা বাড়ায় এবং হাড়ের বৃদ্ধিতে কাজ করে।

এছাড়াও যোগ ব্যায়াম, সাঁতার, হ্যাঙ্গিং এক্সারসাইজ, স্কিপিং, জগিং এই অসভ্য গুলোও শিশুর বিকাশের সহায়ক। আর বাচ্চাদের ঘুমের উপরও বিশেষ নজর রাখুন। তাহলেই আপনার বাচ্চার পুষ্টির চিন্তা দূর হবে।