ইয়াশ ঝড়ের আতঙ্কে মারা গেছে ছাগল! ক্ষতিপূরণ চেয়ে করলো আবেদন

11
Goat died in the panic of Yash storm! The application seemed to seek compensation

সপ্তাহখানেক আগে যে ঘূর্ণিঝড় বয়ে গেল বাংলা এবং উড়িষ্যার মধ্য দিয়ে, তার জন্য আজও সাধারণ মানুষকে গৃহহীন হয়ে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। এর মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় এলাকাগুলিতে ত্রাণ পৌঁছে দেবার জন্য ব্যবস্থা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুয়ারের ত্রাণ কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরে ক্ষতিপূরণের জন্য জমা পড়েছে বহু আবেদন। সম্প্রতি বেশকিছু আবেদনপত্র সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হয়েছে কারণ সেগুলি বড্ড বিচিত্র। সম্প্রতি একটি আবেদনপত্র সোশ্যাল মিডিয়াতে তুলে ধরা হয়েছে যেখানে লেখা আছে, ইয়াশ ঝড়ের আতঙ্কে তার ছাগল মারা গেছে। অন্য গ্রাম বাসি লিখেছেন, ঝড়ের মাছ মারা গেছে তিন কোটি টাকার। এই সমস্ত আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার জন্য ব্যবস্থা নেবে সরকার তথা জেলা প্রশাসন।

দুয়ারে ত্রাণ কর্মসূচিতে শিবির শুরু হয়ে গেছে রাজ্যের অন্যান্য জেলাসহ পশ্চিম মেদিনীপুরে। বহু স্থানে শিবির এবং ব্লক অফিসে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তবে পশ্চিম মেদিনীপুরের আবেদনপত্রের ভিড় দেখে অবাক হয়ে গেছে সকলে। তার মধ্যে বেশকিছু ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। কিছু কিছু আবেদনপত্র দেখে বিস্মিত হবার সঙ্গে সঙ্গে হাসি পেয়েছে সকলের।

সম্প্রতি জেলার সবোং ব্লকের কলন্দা গ্রামের বাসিন্দা তাপস কর ভিডিওকে উল্লেখ করে একটি ক্ষতিপূরণের আবেদন পত্র জমা দিয়েছেন যেখানে লেখা আছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আমার ছাগল আতঙ্কে মারা গেছে। ছাগলের ক্ষতিপূরণ দিলে আপনার কাছে বাধিত থাকিব। অন্য এক বাসিন্দা রামপদ জানা লিখেছেন, আমার মাছ মারা গেছে তিন কোটি টাকার। ক্ষতিপূরণ দিন।

ছাগল মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারী লিখেছেন যে, বাড়িতে ছাগল রাখা ছিল। ঝড় বৃষ্টির রাতের আবহাওয়া এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে পরে সেই ছাগলটিকে মরা অবস্থায় পাওয়া যায়। আতঙ্কে মারা গেছে ছাগল এমন অনুমান করা হচ্ছে। তাই ক্ষতিপূরণ চেয়েছি।

এই প্রসঙ্গে ভিডিও তুহিন শুভ্র মহান্তি জানিয়েছেন যে, নানা রকমের আবেদনপত্র জমা পড়েছে। এই সমস্ত আবেদন পত্র খতিয়ে দেখা হবে। আবেদনকারীরা সকলেই খুবই সরল। আমাদের কাছে না হলেও তাদের কাছে একটি ছাগলের গুরুত্ব অনেকটাই। অনেকে আবার কটা শূন্য বসালে কত টাকা হয় তাও হয়তো জানেনা। তাই এই সমস্ত চিঠি খতিয়ে দেখে তারপর ক্ষতিপূরণ দেবার ব্যবস্থা করা হবে।