গাড়ি ভর্তি টাকা নিয়ে দেশ ছেড়েছেন ঘানি! ক্ষোভে ফুঁসছেন আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষ

28
গাড়ি ভর্তি টাকা নিয়ে দেশ ছেড়েছেন ঘানি! ক্ষোভে ফুঁসছেন আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষ

আফগানিস্তানের শুরু হয়েছে অন্ধকার যুগ। তালিবানরা সেই দেশের দখল নিয়ে নিয়েছে। আফগানিস্তানের সরকার তালিবানদের সামনে আত্মসমর্পণ করে দিয়েছে। তালিবানরা কাবুলে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই আশরাফ ঘানি সেই দেশ ত্যাগ করে গা ঢাকা দিয়েছেন। প্রথমে শোনা গিয়েছিলো, তাজিকিস্তানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন আশরফ ঘানি। তবে সেই দেশেও বেশিক্ষণ থাকেননি তিনি। সোমবার সকালেই তাজিকিস্তান পরিত্যাগ করেছেন আশরাফ ঘানি।

কাবুলের রাশিয়ার দূতাবাসের তরফ থেকে সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেখানে জানানো হয়েছে যে, আশরাফ ঘানি দেশত্যাগ করার আগে প্রচুর অর্থ সম্পদ নিজের সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন। চারটি গাড়ি ও একটি হেলিকপ্টারে করে অনেক টাকা নিয়ে দেশ ছেড়েছেন ঘানি, এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, বেশ কিছু টাকা হেলিকপ্টার এবং গাড়িতে না আঁটার কারণে আফগানিস্তানেই ফেলে যেতে বাধ্য হয়েছেন তিনি!

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবিবার সকালে আশরাফ ঘানি তাজিকিস্তানে আশ্রয় নেওয়ার পর সেই দেশে তরফ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় যে কোনোভাবেই তাকে দেশে আশ্রয় দেওয়া যাবে না। আফগানিস্তানের প্রাক্তন সরকারের নিরাপত্তার খাতিরে এই মুহূর্তে তিনি কোথায় আছেন তা বিস্তারিত ভাবে কিছু জানানো হয়নি ঠিকই, তবে বিভিন্ন সূত্রে খবর, আশরফ ঘানি তাজিকিস্তান থেকে বেরিয়ে ওমানের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।

বিশিষ্ট সূত্রের খবর, আশরাফ ঘানি আমেরিকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন এবং সেখানেই হয়তো থাকবেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের আজকের এই অবস্থার জন্য আফগানরা ঘানির অদূরদর্শিতাকেই দায়ী করছেন। তার উপর আবার তার এইভাবে দেশত্যাগ করার খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষ। দেশের এই পরিস্থিতিতে তালিবানরা যখন দেশের দখল নিচ্ছে, তখন পালিয়ে গিয়েছেন তিনি। যে কারণে সকলেই তাকে দেশদ্রোহী বলছেন।