আজ জেনে নিন মিঠুন চক্রবর্তীর একমাত্র পুত্র বধুকে, জানুন তার সফলতার কাহিনী

20
আজ জেনে নিন মিঠুন চক্রবর্তীর একমাত্র পুত্র বধুকে, জানুন তার সফলতার কাহিনী

তৎকালীন অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। অভিনয় করার পাশাপাশি তিনি একজন বড় মনের মানুষ তা আমরা সকলেই জানি। পুত্র পুত্রবধূ এবং কন্যাকে নিয়ে তার সুখের সংসার। তবে ইদানিং বিজেপিতে যোগদান নিয়ে তাকে বিতরকের মুখে পড়তে হয়েছিল। সম্প্রতি বিজেপি র প্রচার করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই।

মিঠুন চক্রবর্তীর একমাত্র পুত্র বধুকে বোধহয় আমরা অনেকেই চিনি না। তবে উত্তরোত্তর তিনি যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ফেমাস হয়ে যাচ্ছেন খুব কম সময়ের মধ্যেই আমাদের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে থাকবেন তিনি। মিঠুন চক্রবর্তীর পুত্রবধূ মাদালসা পরিচালক এবং প্রযোজক সুভাষ শর্মা এবং লিনা শর্মার মেয়ে। তার রক্তে যে অভিনয় ছোটবেলা থেকেই রয়েছে তা বলাই বাহুল্য।

এই অভিনেত্রী নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন কিশোর নমিত কাপুর অ্যাক্টিং ইনস্টিটিউট এ পড়ার সময়। তেলেগু সিনেমা ফিটিং মাস্টার এর মাধ্যমে তিনি অভিনয় জগতে পদার্পণ করেছিলেন। বলিউডে প্রথম পা রেখেছেন এঞ্জেল সিনেমার মাধ্যমে। এছাড়াও শুনলে অবাক হয়ে যাবেন যে হলিউডের মাটিতেও তার পদার্পণ হয়েছে যা গার্ল হু ইজ দা ইন্ডিয়ান এমারেল্ড সিনেমার মাধ্যমে।

সুন্দরী এই অভিনেত্রী সম্প্রতি অভিনয় করছেন স্টার প্লাসের বিখ্যাত ধারাবাহিক অনুপমা তে। সেখানে কাব্যের চরিত্র অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে তাকে। এ তো গেল তার ক্যারিয়ারের কথা। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি ভীষণ খুশি। সবথেকে তিনি খুশি তার শ্বশুর মশাইকে পেয়ে। একবার সংবাদমাধ্যমের সামনে শ্বশুরমশাইয়ের উদ্দেশে তিনি বলেন যে, আমি কোনদিন মনে করিনি যে আমাদের সম্পর্কটা শশুর এবং বৌমার। নিজেকে খুবই ভাগ্যবতী মনে করি যে ওনাকে আমি বাবার জায়গা দিতে পেরেছি।

বাবা-মা থাকা সত্ত্বেও আমার তাকে বাবা বলে ডাকলে কোন অসুবিধা হয় না। নিঃসন্দেহে বলতে পারি যে আমার বাবার থেকেও কম ভালোবাসে না উনি আমায়। ২০১৮ সালের মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে মহাক্ষয় চক্রবর্তীর সঙ্গে বিয়ে হয় তার। তবে কিছু বছর আগে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে page3 সরগরম হয়েছিল। তবে সে সব এখন অতীত। সব ভুলে গিয়ে তারা সুখে সংসার করছেন।

মিঠুন চক্রবর্তীর পুত্রবধূ এখন ইন্টারনেট সেন্সেশন। তার বোল্ড অবতার দেখে মাঝে মাঝেই হতবাক হয়ে যান অনেকেই। সৌন্দর্যের দিক থেকে যেকোন অভিনেত্রীকে অনায়াসে ১০ গোল দিতে পারেন তিনি।