জিওমার্টের আওতায় আনা হবে তিন কোটির বেশী ছোট মাঝারী দোকানকে

152
জিওমার্টের আওতায় আনা হবে তিন কোটির বেশী ছোট মাঝারী দোকানকে

এবার মুকেশ আম্বানী জানিয়ে দিয়েছে, আগামী দিনে ডিজিটাল মার্কেটে একটি বিপ্লব আসবে, আর সেটার কারণ তিনি নিজেই স্বয়ং। কারণ জিও আসার পরে সব দিক থেকেই একটি পরিবর্তন এসেছে, আর সেই পরিবর্তনকে এবার বিপ্লবে পরিণত করতে চলেছে মুকেশ আম্বানী। তিনি জানিয়েছে এবার ছোট মাঝারী ব্যবসায়ীদের জিও মার্টের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আর সেটার সংখ্যা ৩ কোটি। মোট কথা একই ছাতার তলায় আনা হবে সবাইকে, আর সেটাই বিপ্লবের প্রথম পদক্ষেপ। গতকাল বুধবার প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ফেসবুক রিলায়েন্স জিওর ৯.৯% শেয়ার কিনে নিয়েছে। আর তার ফলেই মুকেশ আম্বানী এখন এশিয়ার ধনী ব্যাক্তীদের শীর্ষে পৌছে গেছেন। তার রিলায়েন্সের শেয়ার বাজারে দাম আগের থেকে ১০ গুণ বেড়ে গেছে।

এবার রিলায়েন্স জিও আগামী প্রোজেক্ট নিয়ে মুখ খুলেছেন, এটা তার বিনিয়োগ, তিনিই কেনই বা করলেন, কোনো না কোনো কারণ তো আছে নিশ্চয়ই। অবশ্যই। মুকেশ আম্বানী জানিয়েছেন, জিও মার্টের আওতায় এবার মোট ৩ কোটি ছোট মাঝারী ব্যবসায়ীদের নিয়ে আসা হবে। সেখানে নতুন জিও মার্ট ই কমার্স প্ল্যাটফর্মের আওতায় মুদি স্টেশনারী, হকার, ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর ব্যবসায়ীদের নিয়ে আসা হবে।

আর এটাই কারণ, এখন ফেসবুকের কাছে জিওর ১০% শেয়ার বেচার, ফেসবুক ও জিও মিলে এই কাজ শুরু করতে চলেছে। এখন আমরা আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সব কিছু জিও মার্টের থেকেই সহজে কিনে নিতে পারব, অনলাইনের মাধ্যমে। আর সেটার জন্য হোয়াটস আপ ব্যবহার করতে হবে। মানে হোয়াটস আপ তাদের পেমেন্ট অপশনও রাখতে চলেছে সেখানে, সেটার সাথেই আপনারা জিও মার্টের যেকোনো কিছু অনলাইন অর্ডার, পেমেন্ট পর্যন্ত করতে পারবেন।

জিও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী , তারা কিন্তু এতোদিন ঠিকমতো ব্যবসায়ীই করতে পারত না, এবার তাদের এক ছাতার তলায় নিয়ে এসে আরও বেশী সুবিধা দেওয়া হবে। এতে তারা আগের থেকে অনেকভালো ভাবে নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারবে। এখন হোয়াটস আপ সবাই ব্যবহার করে ভারতে, আর সেটার মাধ্যমেই মানুষ খুব সহজেই প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র অর্ডার করতে পারবেন। আপের সাথে তাদের যখন জুড়ে দেওয়া হবে, তাদের আয়ের রাস্তা আরও ভালোভাবে খুলে যাবে।

এখানেই শেষ না, কারণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এবার থেকে অনলাইন ব্যবসায় অভ্যস্ত হবে, আর এখন মানুষ অফলাইন থেকে অনলাইন কেনাবেচাই বেশী করে থাকে। তাই বলা হচ্ছে এটা ডিজিটাল ব্যবসার ক্ষেত্রে একটা নতুন পথ খুলে যাবে। আর এর ফলেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থিক অভাব কিছুটা হলেও দূর হবে, তারা স্বচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করতে পারবে।