ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ আসে? জানুন কিভাবে এর প্রতিকার করা যায়

12
ঘন ঘন প্রস্রাবের চাপ আসে? জানুন কিভাবে এর প্রতিকার করা যায়

কিছুক্ষণ পরপরই কি প্রস্রাব হচ্ছে? প্রস্রাব পেলে কি তার বেগ আপনি কিছুতেই সামলাতে পারছেন না? আসুন জেনে নিই এটার কারণ এবং কিভাবে এর প্রতিকার করা যায়।

কিছুক্ষণ পর পর কি আপনার প্রস্রাব হচ্ছে? অথবা কি একটুখানি জোরে হাসতে গেলে হঠাৎ করেই কি পেটে চাপ পড়ছে? পেটে চাপ পড়ার ফলে কি খুব তাড়াতাড়ি আপনার কাপড় ভিজে যাচ্ছে অথবা হাসি অথবা কাশির সময় কি আপনার এরকম একটি সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে? এরকম সমস্যা হঠাৎ করে কাউকে বলা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। কিন্তু যখন এই সমস্যাটা অতিরিক্ত পরিমাণে বেড়ে যায় সেই সময় দেরি না করে অনেকেই চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

এ ধরনের সমস্যা কেন হয় সে ব্যাপারে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন তাদেরই হতে হয় যাদের মূত্রথলির অতিরিক্ত পরিমাণে সক্রিয় হয়ে যায় ফলে বারবার প্রস্রাব পায়। এখন আসুন জেনে নিই এই ধরনের সমস্যা কেন হয়। চিকিৎসকদের মতে এই ধরনের সমস্যা অনেকেরই হতে পারে। এই ধরনের রোগ হওয়ার পিছনে দেহের অন্যান্য অনেক সমস্যা দায়ী হতে পারে। কিডনিতে ইনফেকশন হলে এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন যে কেউ হতে পারে। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি আউটল অবস্ট্রাকশন জাতীয় সমস্যা হলে এই ধরনের রোগ হয়।

বিভিন্ন সমস্যা যেমন, পারকিনসন্স ডিজিজ মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস জাতীয় সমস্যা রয়েছে তাদের অথবা যাদের স্টোক একবার আগে হয়ে গেছে তারা এই ধরনের রোগের সম্মুখীন হতে পারেন। এই রোগ হওয়ার জন্য উচ্চ রক্তচাপ জনিত রোগের ওষুধ বিশেষ ভাবে দায়ী। পুরুষ অথবা মহিলা প্রত্যেকের ক্ষেত্রে এই ধরনের রোগ হতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে যাদের মেনোপজ হয়ে গেছে তাদের এই রোগ হওয়ার রিস্ক কিছুটা কম, অন্যদিকে পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেটের সমস্যা যাদের রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এই ধরনের অসুখ হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।

এই সমস্যা থেকে সাবধানতা অবলম্বন করার কিছু উপায় রয়েছে যেমন মূত্রথলিতে কোন সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন, ক্যাফেইন জাতীয় যে সমস্ত পানীয় রয়েছে সেগুলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বর্জন করতে হবে, যে সমস্ত মিষ্টি পানীয়, কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস এবং মসলাজাতীয় খাবার রয়েছে সেগুলি একদমই বাদ দিয়ে দিতে হবে। ওজন যদি বেশি থাকে তাহলে ওজন কমাতে হবে।