ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে কোণঠাসা হয়ে পড়ল বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর

7
ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে কোণঠাসা হয়ে পড়ল বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর

এবার ফের তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বর্ধমান জেলায় এটা নতুন কিছু নয়। এর আগেও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব উঠেছিল চরমে। তবেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মধ্যেই অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর, সাথে তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। এই তৃণমূলের নেতা খোকন দাস দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধেই দোষারোপ করতে শুরু করেছে, তুলছে বিভিন্ন প্রশ্ন।

সম্প্রতি একটি সভা থেকে নিজের দলের প্রতি তোপ দেগেছেন। তিনি বর্ধমান পৌরসভার কাউন্সিলরদের একাংশকে দুর্নীতিগ্রস্থ বলে অভিহিত করেছে। এখানেই শেষ নয় সিপিএম থেকে বহিস্কৃত নেতা আইনুল হকের তৃণমূলে যোগদান নিয়েও তোপ দেখেছেন তিনি। কিন্তু বাকি কাউন্সিলররাও ছেড়ে কথা বলেননি তাকে। তাকেও বাকি নেতারা, শহরের সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা বলে মন্তব্য করেছেন।

সম্প্রতি এই খোকন দাস বর্ধমান জেলার পৌরসভার ৩৫ নং ওয়ার্ডে একটি জনসভা করে, আর সেখান থেকেই নিজের দলের নেতাদের প্রতি তোপ দাগেন। তিনি জানান দলের একাংশ কাউন্সিলররা রাস্তা, ড্রেন এমনকি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে। এদিকে সিপিএমের সিং বহিস্কৃত নেতা আইনুল হকের তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন কে এই আইনুল হক আমরা তাকে চিনি না। যারা আমরা রক্ত মাংস দিয়ে তৃণমূলকে গড়েছি, সেখানে সিপিএমের সেই খুনি নেতাকে আমরা মানি না।

এই কথা শোনার পর খোকন বাবুর বিরোধী শিবিরের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সনৎ বক্সি জানায়, আমরা এতদিন থেকে তৃণমূলে রয়েছি, আমরা এমন কোন কাজ করব না যাতে দলের বদনাম হয়। যিনি দলের অন্য নেতাদের প্রতি তোপ দাগছেন আসলে তিনি দুর্নীতির জাহাজ।

যে নেতা ১০ বছর আগে সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াতো সে কিভাবে এই কয়েক বছরের মধ্যে ইমারত করল স্করপিও কোথা থেকে পেল? তিনি আরো বলেন ওনার মাথা খারাপ হয়ে গেছে, তার দুর্নীতির খবর ইতিমধ্যে পিকের টিমের কাছে পৌঁছে গেছে। আসলে হতাশ হয়ে গিয়েছেন তিনি, তৃণমূলের পতাকা টানিয়ে বিজেপিকে মাটি পাইয়ে দিতে চাইছেন তিনি।