মোটা চেহারার জন্য বাদ দেওয়া হতো একের পর এক ছবি থেকে! জীবন সংগ্রামের কাহিনী শোনালেন বিদ্যা বালান

18
মোটা চেহারার জন্য বাদ দেওয়া হতো একের পর এক ছবি থেকে! জীবন সংগ্রামের কাহিনী শোনালেন বিদ্যা বালান

বলিউড অভিনেত্রীদের মধ্যে থেকে অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেন বিদ্যা বালান। বর্তমানে তিনি বলিউডের সেরা নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম। একের পর এক ভিন্ন স্বাদের ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন বিদ্যা। তার অভিনীত সিনেমা মানেই দর্শকের সিনেমাটিকে নিয়ে বেশ আশা থাকে। তবে এহেন বিদ্যা যখন প্রথমবার বলিউডের পর্দায় পা রাখেন তখন কিন্তু সফলতা তাকে এত সহজে ধরা দেয়নি।

প্রথমদিকে বলিউডে যথেষ্ট স্ট্রাগল করতে হয়েছে তাকে। অভিনয়ের দরুন নয়, বিদ্যাকে বরাবর তার ভারী চেহারার দরুন সমালোচিত হতে হয়েছে। বিদ্যা বালানের ফিগার বলিউডের অন্যান্য তথাকথিত নায়িকাদের মত নয়। বরং বলিউডের হেভিওয়েট অভিনেত্রী বলা যায় তাকে। আর শরীরের এই অতিরিক্ত ওজনের দরুন তাকে বারবার সমালোচিত হতে হয়েছে। প্রথমদিকে একের পর এক ছবিতে তাকে বাদ দিয়ে দেওয়া হতো তার মোটা চেহারার জন্য।

অভিনেত্রী জানাচ্ছেন, সেই সময়টা তার জীবনের সবথেকে খারাপ সময় ছিল। তখন প্রতিদিন রাতে তিনি কাঁদতে কাঁদতেই ঘুমিয়ে যেতেন। তবে মনে তার অদম্য ইচ্ছা ছিল অভিনেত্রী হওয়ার। যার সুযোগ তিনি পেয়ে যান ২০০৫ সালে, হিন্দি ছবি ‘পরিণীতা’তে অভিনয় করার সুবাদে। অবশ্য তার আগেই ১৯৯৫ সালে বিদ্যাকে একটি টেলিভিশন সিরিজ ‘হাম পাঁচ’ অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। তবে তিনি সেভাবে খ্যাতি অর্জন করতে পারছিলেন না।

‘পরিণীতা’ ছবি হিট হওয়ার পর বিদ্যা বালানকে আর কখনো ঘুরে তাকাতে হয়নি। ‘দ্য ডার্টি পিকচার’, ‘তুমহারি সল্লু’, ‘ভুলভুলাইয়া’, ‘কাহানি’, ‘শকুন্তলা দেবী’ ‘শেরনি’ ছবিতে অভিনয় মারফত তিনি তার অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। হেভিওয়েট চেহারা নিয়েই বলিউডের পর্দা কাঁপিয়েছেন অভিনেত্রী। প্রমাণ করেছেন চেহারা নয়, অভিনয় দক্ষতাই বলিউডে টিকে থাকার প্রধান ইউএসপি।