হোলির আগে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি, মিলবে শুভ ফল

21
হোলির আগে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি, মিলবে শুভ ফল

আগামী ১৪ই চৈত্র ১৪২৭, রবিবার, পঞ্জিকা মতে দোল পূর্ণিমার তিথি পড়েছে ওই দিন। আগামী ২৮শে মার্চ রবিবার বেলা ৩ টে বেজে ২৭ মিনিট নাগাদ দোল পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে। শনিবার ও রবিবার দেশ জুড়ে হোলিকা দহন বা ন্যাড়াপোড়া উৎসব পালিত হবে। পরদিন অর্থাৎ সোমবার দেশব্যাপী হোলি উৎসব পালন করা হবে। দোল পূর্ণিমার নয় দিন পূর্বের সময়কালকে বলা হয় হোলাষ্টক।

পৌরাণিক মত অনুসারে হোলাষ্টকের এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। পুরান মত অনুসারে, হোলির ঠিক আটদিন আগে থেকেই প্রবল বিষ্ণু বিদ্বেষী প্রতাপশালী রাক্ষস সম্রাট হিরণ্যকশ্যপ তার বিষ্ণুভক্ত পুত্র প্রহ্লাদকে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তাই এই সময় কালে আজও কোনও শুভ অনুষ্ঠান কিংবা আচার-আচরণ পালন করার নিয়ম নেই শাস্ত্রে।

শাস্ত্রমতে, হোলাষ্টোকের আটদিন যাবত ১৬টি আচার অনুষ্ঠান পালনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যাগ-যজ্ঞ, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কিংবা কোনো মাঙ্গলিক কাজ এই সময়কালে করা উচিত নয়। নতুবা শুভ ফলের বদলে অশুভ ফল মিলবে। এই সময় কালীন নিজের ইষ্ট দেবতার আরাধনা করাই যথেষ্ট। পাশাপাশি দুস্থদের মাঝে কাপড় বিতরণ করারও নিদান দেওয়া হয়।

ফাল্গুন মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথি থেকে পূর্ণিমা অবধি গ্রহগুলির উপর হোলাষ্টোকের প্রভাব থাকে বলে মনে করে জ্যোতিষ। অষ্টমীর চাঁদে, নবমীতে সূর্য, দশমীর শনি, একাদশীর শুক্র, দ্বাদশীতে গুরু, ত্রয়োদশীতে বুধ এবং চতুর্দশীতে মঙ্গল ও রাহু পূর্ণ চাঁদে অবস্থান করছে বলে মনে করা হয়। মানুষের জীবনযাত্রার উপরে এই গ্রহগুলির পূর্ণ প্রভাব থাকে। তাই এই সময়কালে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, যাগ-যজ্ঞ, মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।