জানুন যে কারনে কাউকে বি’য়ে করেননি সাবিত্রী চ্যাটার্জি

61
জানুন যে কারনে কাউকে বি’য়ে করেননি সাবিত্রী চ্যাটার্জি

বাংলা সিনেমা জগতের এক অনন্য নাম মহানায়ক উত্তম কুমার। আজ পর্যন্ত এমন কেউ নেই যে তাকে টক্কর দিতে পেরেছেন। যুগের পর যুগ যত অভিনেতা-অভিনেত্রী আসুক না কেন, আজও সকলের মনে সবার প্রথমে অবস্থান করেন উত্তম কুমার। এই মহানায়ককে ভালোবেসেছেন বহু মানুষ। একসময় মহানায়ক কে ভালোবেসে রুপোলি পর্দা থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখে দিলেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেন।

তবে উত্তম-সুচিত্রা ছাড়াও বাংলা চলচ্চিত্র জগতে আরেকটি জুটি ছিল তা হল উত্তম-সাবিত্রী জুটি। বাংলাদেশের কুমিল্লার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সাবিত্রী দেবী। ছোটবেলায় খুবই কষ্ট করে জীবন অতিবাহিত করেছিলেন তিনি। দেশভাগের সময় বাংলাদেশ ছেড়ে পরিবারসহ কলকাতায় দিদির বাড়িতে আসতে হয়েছে তাকে। সেখানেই ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় রুপোলি পর্দায় পদার্পণ হয়েছিল তার।

নতুন ইহুদি নামক নাটকটির মাধ্যমে তিনি প্রথম অভিনয় জগতের যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপর সহযাত্রী ছবিতে মহানায়ক উত্তম কুমারের সঙ্গে অভিনয় করে রুপোলি পর্দায় অভিষেক ঘটিয়েছিলেন তিনি। এরপর ধন্যি মেয়ে, নিশিপদ্ম থেকে আরম্ভ করে আরো বহু সিনেমায় একের পর এক অসাধারণ অভিনয় দেখিয়েছিলেন তিনি।

উত্তমকুমারকে মন থেকে ভালবাসতেন সাবিত্রী দেবী। কিন্তু কখনোই তাকে পাবার জন্য তার সংসার ভাঙ্গার কথা চিন্তা করেনি তিনি। একপ্রকার সম্মান এবং শ্রদ্ধা জানাতেন তিনি উত্তম কুমারের প্রতি। উত্তম কুমারের অকাল মৃত্যুর পর ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সাবিত্রী দেবী। তারপর কিছুদিন রুপোলি পর্দা থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

তবে আস্তে আস্তে আরো একবার নিজেকে চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে বেধে ফেলেছিলেন সাবিত্রী দেবী।
সুবর্ণলতা থেকে শুরু করে বেশকিছু ধারাবাহিকে তিনি অভিনয় করেছেন সম্প্রতি। তবে আজও তাকে স্মরণ করা হয় রুপোলি পর্দায় অসাধারণ অভিনয় করার জন্য।