জেনে নিন জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে গ্রহদোষ কাটাতে কি ধরনের রুদ্রাক্ষ ধারন করা উচিৎ

8
জেনে নিন জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে গ্রহদোষ কাটাতে কি ধরনের রুদ্রাক্ষ ধারন করা উচিৎ

দোষ কাটাতে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে রুদ্রাক্ষের ভূমিকা খুব বেশি। গ্রহের অবস্থান কিরূপ সেই অনুযায়ী রুদ্রাক্ষের গুরুত্ব কে অস্বীকার করা যাবে না কোনমতেই। রুদ্রাক্ষ একমুখী, দ্বিমুখী, তিনমুখী, পাঁচমুখী, সাতমুখী প্রভৃতি বহু প্রকারের হয়। পৃথিবীতে অনেক রকমের গাছ পাওয়া যায় তবে রুদ্রাক্ষ গাছ পাওয়া খুব জটিল বিষয়। রুদ্রাক্ষ বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে। কোনোটি লঙ্কার বীজের মতো ছোট কোনোটি আবার আমলকীর আকার ধারণ করে। সব থেকে বড় এব্ সব থেকে ছোট রুদ্রাক্ষ পাওয়া দুর্লভ।

এ বার জেনে নেওয়া যাক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে গ্রহদোষ কাটাতে কি ধরনের রুদ্রাক্ষ জরুরি। রবির স্থান যদি সঠিক হয় তবে ছেলে বা মেয়ে উভয়ের‌ ক্ষেত্রে ই শিল্প, জ্ঞান, সততা, বুদ্ধিমত্তা খুব বেশি থাকে। তবে প্রায়ই এরা পেটের অসুখে ভুগে থাকেন । এদের ক্ষেত্রে যে কোনও প্রকার রুদ্রাক্ষ ধারণ করলেই সুফল মিলবে। চন্দ্রের ক্ষেত্র খারাপ হলে জাতক-জাতিকা একটু ভীতু প্রকৃতির হয়।

এদের মধ্যে কু-সংস্কারের প্রভাব বেশি থাকে। এ ক্ষেত্রে চন্দ্র গ্রহদোষ কাটাতে পঞ্চদশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করা উচিত। মঙ্গলের স্থান নীচু হলে ছেলে বা মেয়ে নিয়ন্ত্রণ হীন এবং অকরুণ প্রকৃতির হয়ে থাকেন। তাদের পক্ষে তিনমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে উপকার পাওয়া যাবে। এবং দশমুখী রুদ্রাক্ষ ব্যবহার করলেও কাজ দিতে পারে। বুধের স্থান নীচু হলে ছেলে বা মেয়ের একটু ভুল পথে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সেই অর্থে সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ খুব কার্যকর ফল দেবে। বৃহস্পতির স্থান নিচু হলে ছেলে বা মেয়ে উভয়েই শোষনকারি মনোভাবাপন্ন এবং অবাধ্য প্রকৃতির হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে পঞ্চমুখী অথবা অষ্টমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে সুফল দিতে পারে। শুক্রের স্থান খারাপ বা নীচু হলে ছেলে বা মেয়ে একটু বিবাদে জড়িয়ে থাকে বা একটু অসত্‍ প্রবৃত্তির হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চতুর্দশমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে ফলাফল উত্তম পাওয়া যাবে। শনির ক্ষেত্র নীচু হলে ছেলে বা মেয়ে, ছলচাতুরির আশ্রয় নেয় এবং দুষ্ট প্রকৃতির হয়। সে ক্ষেত্রে নয়মুখী বা দ্বাদশমুখী রুদ্রাক্ষ ব্যবহার উপযোগী হবে।