ধর্মানুসারে কোন নারিকে কি নজরে দেখা উচিৎ জেনে নিন

9
ধর্মানুসারে কোন নারিকে কি নজরে দেখা উচিৎ জেনে নিন

বর্তমান সমাজে বহুস্থানে নারীদের অপমান করা হয়, পুড়িয়ে মারা হয়, স্বাধীনতা দেওয়া হয় না। কিন্তু ভারতীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী বহু প্রাচীন যুগ থেকে মেয়েদের একটি আলাদা সম্মান রয়েছে। ভারতীয় গ্রন্থ অনুযায়ী, মহিলাদের সঙ্গে কিভাবে ব্যবহার করা উচিত সবই বলা আছে সেখানে। ভারতীয় ধর্ম শাস্ত্র অনুযায়ী, সমাজে মহিলাদের রয়েছে আলাদা আলাদা স্থান। প্রাচীনকাল থেকে মহিলাদের পড়াশোনার দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া হতো। অনেক ক্ষত্রিয় বংশে মহিলারা যুদ্ধ শিক্ষায় পারদর্শী হত।মহাকবি তুলসীদাস রচিত” রামচরিত মানসে”এমন চার রকমের সম্পর্ক যুক্ত মহিলার কথা বলা হয়েছে যাদের কোনো অবস্থাতেই অসম্মান কিংবা অপমান করা উচিত নয়।

সেই সমস্ত মহিলাদের দিকে লালসার নজর দিলে তা মহাপাপ হয়। যদি কোন ব্যক্তির জীবনে অসুবিধা বা খারাপ সময় আসে তাহলে মনে করা যায় যে, সেই ব্যক্তি নিশ্চয়ই কোনো না কোনো সময় কোনো মহিলার প্রতি কোন লালসা নজর দিয়েছেন।নিজের মেয়েকে সম্মান করা, যে কোন পরিস্থিতিতে তাকে রক্ষা করা সমস্ত পিতার নৈতিক কর্তব্য। নিজের কন্যার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করার থেকে বড় মহাপাপ আর কিছু হয়না।

নিজের কন্যার সঙ্গে সঙ্গে পুত্রবধূ কেও নিজের মেয়ের মত মনে করা উচিত।যেমন নিজের মেয়ে সংসার ছেড়ে অন্য সংসারে যায় তেমনি অন্য একটি পরিবারের মেয়ে সবকিছু ছেড়ে আপনার সংসার কে নিজের করে নেয়। তাই সেই মেয়েকে নিজের করে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাকে রক্ষা করা গোটা পরিবারের কর্তব্য। কোনভাবেই গৃহবধূকে অপমান করা উচিত নয়। এমনকি অন্য কোন গৃহবধূকে অপমানিত হতে দেখলে সেখানে প্রতিবাদ করা উচিত।

ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বাড়ির বউ। ছোট ভাইয়ের স্ত্রী কেও নিজের সন্তানের মতো দেখা উচিত। তার দিকে কোন সময় খারাপ নজর দেওয়া উচিত নয়। ছোট ভাইয়ের বউকে খারাপ নজরে দেখলে তার ফল খুবই খারাপ হয়। কোনভাবেই এই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করা যায় না।নিজের ছোট বোন হয় মেয়ে এবং বড় বোন হয় মায়ের মত। কখনোই বোন বা দিদি কে নিজের স্বার্থে অপমান করা বা লাঞ্ছনা করা উচিত নয়। যদি কোন ব্যক্তি এমন কাজ করে থাকে তাহলে সেই ভাইয়ের কপালে অনেক দুঃখ থাকে।