আজ জেনে নিন নাভি সম্পর্কে কিছু অজানা কথা

31
আজ জেনে নিন নাভি সম্পর্কে কিছু অজানা কথা

আমার মাঝে মাঝে এই কথাটি বলে থাকি যে, আপনার সঙ্গে আমার নাড়ীর টান রয়েছে। এই কথাটি বলার একটি তাৎপর্য রয়েছে। একটি নারী দেহে যখন একটি ভ্রূণ আস্তে আস্তে মানুষরূপে বড় হয়, তখন এই নাড়ী দিয়ে মায়ের শরীর থেকে খাদ্য যায় সেই শিশুটি শরীরে। কিন্তু এই অঙ্গটি সম্পর্কে আমরা কখনও চর্চা করি না। বলা ভালো, আমাদের শরীরের একেবারে অবহেলিত একটি অঙ্গ এটি। তবে আজকে আমরা জেনে নেবো নাভি সম্পর্কে কিছু অজানা কথা।

আপনি হয়তো কখনও শোনেন নি, এই নাভি হলো মানুষের শরীরের সবথেকে নোংরা জায়গা।

নাভি আসলে মানুষের শরীরে একটি ক্ষত। জন্মের সময় যখন সন্তানকে তার মায়ের শরীর থেকে আলাদা করা হয়, তখন থেকেই এই ক্ষত তৈরি হয় মানুষের শরীরে।

সাধারণত নাভি কুন্ডলীর ভেতরের দিকে অবস্থান করে বেশিরভাগ মাত্র ৪ শতাংশ নাভিকুন্দলি মানুষ বাইরের দিকে দেখতে পায়।

বিশেষত সুন্দরী মেয়েরা অনেক সময় সার্জারির মাধ্যমে নাভিকুন্দলি কে বাইরের থেকে ভেতর দিকে ঢুকিয়ে রাখেন।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমাদের নাভিতে থাকে প্রায় ৭৬ রকমের ব্যাকটেরিয়া। তাই এই নারীকে শরীরের সবথেকে নোংরা জায়গা বলে মনে করা হয়।

অনেক সময় পোশাক পরার কারনে নাভি নোংরা হয়। কারণ জামাকাপড়ের রোয়া নাভির মধ্যে ঢুকে যায় অনেক সময়।

হিন্দু পুরাণ মতে, মানব জাতির জন্ম হয়েছে বিষ্ণুদেবের নাভিপদ্ম থেকে।

গবেষকরা বলেছেন, মানুষের দৌড়ানো অথবা সাঁতার কাটা নির্ভর করে নাভী কোন স্থানে রয়েছে তার ওপরে।

আবার অনেক জায়গায় বলা হয় যে, যেহেতু ইভ এবং আদম কোন মাতৃজঠরে জন্ম গ্রহণ করেনি, তাই তাদের দেহে কোন নাভি ছিলনা।