জেনে নিন জামাইষষ্ঠী অনুষ্ঠানের বিশেষত্ব এবং দিনক্ষণ

32
জেনে নিন জামাইষষ্ঠী অনুষ্ঠানের বিশেষত্ব এবং দিনক্ষণ

উৎসব প্রেমী বাঙালির জন্য সামনে আসতে চলেছে জামাইষষ্ঠীর উৎসব। এই উৎসব উপলক্ষে বাংলার ঘরে ঘরে শাশুড়ি-জামাইয়ের সম্পর্ক আরও মজবুত হয়ে উঠবে। জামাইদের আদর আপ্যায়ন করার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন শাশুড়িরা। জামাইদের পাতে কি কি খাবার রান্না করে তুলে ধরবেন তার পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে বহু আগে থেকেই। আগামী ১৬ই জুন অর্থাৎ ২৬শে জৈষ্ঠ্য চলতি বছর জামাইষষ্ঠী অনুষ্ঠান পালন করা হবে।

জামাইষষ্ঠী অনুষ্ঠানের প্রচলন কিভাবে শুরু হলো সেই নিয়ে কার্যত বহু মতভেদ রয়েছে। একটি প্রচলিত মতবাদ অনুসারে, প্রাচীনকালে মেয়েরা যতদিন না পুত্রসন্তানের জন্ম দিচ্ছেন ততদিন তাদের বাপের বাড়িতে পা রাখার অনুমতি দেওয়া হতো না! এই কারণেই কার্যত বছর বছর জামাইষষ্ঠী পালনের চল ওঠে। যাতে বছর বছর জামাইয়ের সাথে মেয়েও পা রাখতে পারেন বাপের বাড়িতে।

তবে যুগ বদলেছে, সময়ের পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর এই মতবাদ চলে না। এখন বছর বছর মেয়ে জামাই কে বাড়িতে ডেকে তাদের আদর-আপ্যায়ন করে হই-হুল্লোড় করে সময় কাটানোতেই কার্যত আনন্দ খুঁজে পায় উৎসবপ্রেমী বাঙালির মন। ষষ্ঠীর দিনে নতুন বস্ত্র, উপহার, ফলমূল, পান-সুপারি, ধান- দূর্বা, বাঁশের করুল,তালের পাখা, করমচা দিয়ে শাশুড়ি মায়েরা জামাইদের বরণ করেন। মেয়ে-জামাইয়ের সুখী দাম্পত্যের কামনা করেন।

এখন অবশ্য অনেক জায়গাতেই পুরনো রীতি রেওয়াজগুলি আর পালন করা হয় না। তার বদলে মডার্ন শাশুড়িরা রেস্তোরাঁতেই সারছেন জামাইষষ্ঠী। জামাইষষ্ঠী পালনের পন্থা যাই হোক না কেন, বাঙালি সংস্কৃতিতে কিন্তু এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব আজও অপরিসীম।