জেনে নিন সংসারে তৃতীয়জনের আগমনে দম্পতির মধ্যে যে সমস্যা গুলি দেখা দেয়

14
জেনে নিন সংসারে তৃতীয়জনের আগমনে দম্পতির মধ্যে যে সমস্যা গুলি দেখা দেয়

চুটিয়ে প্রেম করার পর অবশেষে সেই প্রেম পরিণতি পায় বিয়েতে। কিছুদিন এক সঙ্গে চুটিয়ে সংসার করার পর তৃতীয় ব্যক্তির জন্য দুজনেই হা-হুতাশ করতে শুরু করে। নতুন অতিথি অর্থাৎ সন্তান পালন করার জন্য স্বামী-স্ত্রী নিজেদের তৈরি করতে শুরু করে। বিয়ের দুই তিন বছরের মাথাতেই অনেক দম্পতি সন্তান আগমনের সমস্ত প্ল্যান শুরু করে দেয়। হাম দো হামারে দো, সুখী পরিবারের এই চেনা ছক কষতে শুরু করে দেন বহু দম্পতি।

কিন্তু বাস্তবে স্বপ্নের দিনের মতো দিনগুলি আর এগোয় না। দায়িত্ব-কর্তব্যের মাঝখানে কোথাও যেন হারিয়ে যায় ভালোবাসা। দূরত্ব কমানোর জন্য যে তৃতীয়জন কে আনা হয়, সে তৃতীয়জনের আগমনের পর হঠাৎ করেই নিজেদের মধ্যে দুরত্ব যেন শতগুণ বেড়ে যায়।

কেন এমন হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

বাস্তবে সন্তানের জন্মের পর অন্তত ছয় সপ্তাহ সমস্ত এটেনশান দিতে হয় নবাগত শিশুকে। বিশেষ করে সদ্য হওয়া মা তার নতুন দায়িত্ব এই সময় বুঝে নেয় সকলের থেকে। সন্তানকে সামলাতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বাবা-মাকে নাকানি-চুবানি খেতে হয় প্রথম দিকে।

রাত জেগে সন্তানকে খাওয়ানো থেকে শুরু করে সকালবেলা তাকে তুলে আবার খাওয়ানো পর্যন্ত চলতে থাকে এই প্রক্রিয়া। শারীরিক এবং মানসিকভাবে স্ত্রী হয়ে যায় দুর্বল।

জন্ম দেবার পর একজন মহিলা বোঝেন যে, তার থেকেও সবথেকে বেশি অ্যাটেনশন তার সন্তান পাবেন সকলের থেকে, তাই স্বাভাবিকভাবেই তার মধ্যে একটি হীনমন্যতা দেখা দিতে শুরু হয়ে যায়। এইসময় হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করার কারণে বিভিন্ন অস্বস্তি এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। অপরদিকে স্বামী সেগুলি বুঝে উঠতে পারে না। মাঝে মাঝে তাই সংসারে লেগে যায় অশান্তি।

অন্য দিকে একজন স্বামী মনে করেন যে তার স্ত্রী তার থেকেও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তার সন্তানকে। প্রেম ভালোবাসা সব যেন কোথাও হারিয়ে যায় তখন। নিজেদের মধ্যে শুরু হয় ভুল বোঝাবুঝি। তবে সন্তান কিছুটা বড় হয়ে যাবার পর আবার সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।