নিজেকে ফিট মনে হলেও নিচু হয়ে পা ধরতে পারছেন না? দেখুন কোন কঠিন রোগের স্বীকার হচ্ছেন

15
নিজেকে ফিট মনে হলেও নিচু হয়ে পা ধরতে পারছেন না? দেখুন কোন কঠিন রোগের স্বীকার হচ্ছেন

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এক্সেসাইজ করতে চান, কিন্তু সেই ইচ্ছে ঘুমের মধ্যেই চির নিদ্রায় চলে যায়। ইচ্ছে থাকলেও সময়ের অভাবে অথবা ইচ্ছের অভাবে শারীরিক পরিশ্রম করা হয় না আমাদের। তাই একটু বয়স হতে না হতেই শরীরে বিদ্রোহ করতে শুরু করে দেয়। একটু বেশি পরিশ্রম হলেই হাতে পায়ে যন্ত্রণা হতে শুরু করে দেয়। যারা এক্সপ্রেস করেন না তারা তো বটেই, কিন্তু যারা নিজেকে ফিট বলে দাবি করেন, তাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা অনেক সময় নিচু হয়ে পা ধরতে পারেন না। তাই এরকম যদি হয় তাহলে ধরে নিতে হবে যে, আপনার শরীর যথেষ্ট নমনীয় নয়। শরীরের নমনীয়তা না থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করা হয় পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া অথবা শরীরে রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে না হওয়া।

তাই আজকের প্রশ্ন কেন নিচু হতে সমস্যা হচ্ছে? এর উত্তর, অনেক সময় হ্যামস্ট্রিং শক্ত হয়ে গেলে এমনটা হতে পারে। মাঝে মাঝে খেয়াল রাখতে হবে যে, বিডি চারপাশে চর্বি জমে যাচ্ছে কিনা। অনেক সময় অত্যাধিক পেট বড় হয়ে যাবার কারণে আমাদের নিচু হয়ে কাজ করতে অসুবিধা হয়।

আমাদের জীবনযাত্রা আগে থেকে অনেকটাই পাল্টে গেছে। যারা মাঠে-ঘাটে কাজ করেন তাদের সাধারণত এই সমস্যা হয় না।কিন্তু এই সমস্যা তাদেরই বেশি হয় যাদের বাড়িতে বসে অথবা অফিসে বসে বসে কাজ করতে হয়। শারীরিক পরিশ্রম তাদের একেবারেই হয় না। বেশিক্ষণ বসে কাজ করার ফলে কোমরের নিচের অংশটা অথবা শক্ত হয়ে যায়। তাই কখনো কিছু হলেই কোমরে টান ধরে। যাদের প্রতিদিনের সূচিপত্র শারীরিক পরিশ্রম একেবারেই নেই, তাদের এই সমস্যা বেশি করে হয়।

এই সমস্যা থেকে বাঁচার উপায় একটাই, শরীরের নমনীয়তা বাড়াতে হলে করতে হবে দুটি যোগব্যায়াম। উত্থানসন এবং পদহস্তাসন, এই দুটি যোগ ব্যায়াম নিয়মিত করলে শরীর অনেকটা নমনীয় হয়ে যাবে। কিন্তু সঠিক প্রশিক্ষণ না থাকলে এটি আপনি ভালোভাবে করতে পারবেন না। নিজে নিজে করতে গেলে পেশী আহত হতে পারে। তাই আচমকা শুরু না করে আগে যোগ ব্যায়ামের প্রশিক্ষণের কাছে গিয়ে এই দুটি যোগব্যায়াম শিখে নিন।

শরীর নমনীয় হলে হিপ জয়েন্ট অথবা পেলভিক অঞ্চলের নমনীয়তা বেড়ে যায়। তার ফলে বাড়তি ওজন কমে গিয়ে শিরদাঁড়া র স্নায়ু এবং পেশী নমনীয় হয়ে যায়। এর ফলে আপনার মন অনেকটা শান্ত হয়। আপনার কর্ম ক্ষমতা বেড়ে যায়।