শাড়ি পরিয়েই প্রত্যেক মাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করেন ফ্যাশন ডিজাইনার ডলি জৈন

5
শাড়ি পরিয়েই প্রত্যেক মাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করেন ফ্যাশন ডিজাইনার ডলি জৈন

ভারতের অন্যতম ধনী ব্যক্তি হলেন মুকেশ আম্বানি। নিজের পাশাপাশি বিদেশেও সম্পত্তি বাড়াচ্ছেন তিনি। তবে মুকেশ আম্বানির থেকেও জিনিস বেশি লাইম লাইট কেড়ে নেন তিনি হলেন মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানি। বিলাস বহুল জীবনযাত্রা এবং রাজকীয় পোশাক আশাকের জন্য বরাবর খবরের শিরোনামে উঠে আসে নীতা আম্বানির নাম। ভারতবর্ষে যে বাড়িতে মুকেশ আম্বানি নিজের পরিবার নিয়ে থাকেন সেখানে নাকি 600 জন কর্মচারী কাজ করেন। প্রত্যেক ব্যক্তি মোটা বেতন পাওয়ার পাশাপাশি সমস্ত সুযোগ সুবিধা পান। আজ বলবো নিতা আম্বানিকে শুধুমাত্র শাড়ি পরিয়ে দেওয়ার জন্য যে মানুষটি রয়েছেন তিনি কত টাকা বেতন পান।

আম্বানি পরিবারের শখের দাম লাখের গণ্ডি বহুদিন আগেই পেরিয়ে গেছে। নিতা আম্বানি এক মহিলাকে শুধুমাত্র শাড়ি পরিয়ে দেওয়ার জন্য লক্ষাধিক টাকা মাইনে দিয়ে রেখেছেন। তিনি আর কেউ নন প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ডলি জৈন। গীতার শাড়ি ডিজাইন করে দিয়ে নয় বরং অভিনব কায়দায় শাড়ি পরিয়ে প্রত্যেক মাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করেন তিনি।

এমনিতেই নিতা আম্বানি শাড়ি পড়তে ভীষণ পছন্দ করেন। যে কোন অনুষ্ঠানে সবসময় তাকে শাড়ি পরতে দেখা যায়। শাড়ি পরলে তার চেহারাগুলো আমার যেন আরো বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই শুধুমাত্র শাড়ি পড়ানোর জন্য তিনি ডলিকে নিযুক্ত করেছেন এবং লক্ষাধিক টাকা দিয়ে রেখেছে নিজের কাছে। নিজের বাড়ির অনুষ্ঠান হোক অথবা যে কোন পার্টিতে যাওয়ার আগে দলের কাছে শাড়ি পরেন নিতা আম্বানি।

অন্যদিকে ডলি ইতিমধ্যে লিমকা বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নিজের নাম তুলে নিয়েছে। তিনি একটি শাড়িকে ৩৫০ রকম ভাবে পড়তে পারেন। মাত্র ১৯ সেকেন্ডে শাড়ি পড়ে তিনি বিশ্বরে তৈরি করেছেন। শুধুমাত্র নিতা আম্বানি নয়, বহু সেলিব্রিটিদের শাড়ি পরিয়ে নাম এবং অর্থ দুটোই রোজগার করেন ডলি

ডলির বাড়ি কর্নাটকে। বহুদিন ধরে এই শাড়ি ডিজাইনার হিসেবে মুম্বাইতে কাজ করছেন। অভিনব কায়দায় শাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য ডলি কে লক্ষাধিক টাকা বেতন দিতে দ্বিধাবোধ করেন না সেলিব্রেটিরা। দীপিকা পাডুকোন থেকে শুরু করে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, এমনকি দক্ষিণে অভিনেত্রী নয়নতারাও ভীষণ পছন্দ করেন ডলির কাজ।