ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করলে অনেকের পক্ষে তা বিশেষ সুবিধার হবে না, সবর জিতেন্দ্র তিওয়ারি

5
ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করলে অনেকের পক্ষে তা বিশেষ সুবিধার হবে না, সবর জিতেন্দ্র তিওয়ারি

পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারির বক্তব্য ঘিরে ফের রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সোমবার সন্ধেয় অন্ডালের বাঁকোলার তালবাগান এলাকায় বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে জিতেন্দ্র তিওয়ারি মন্তব্য করেন, তার ধৈর্যের সীমা অতিক্রম করলে অনেকের পক্ষে তা বিশেষ সুবিধার হবে না। তার এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার সূত্রপাত হয়েছে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজ্য রাজনীতি জুড়ে দলবদলের হাওয়া বইছে। একসময় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বেসুরে গিয়েছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। আসানসোল কর্পোরেশনের প্রশাসকের পদ থেকে ইস্তফা প্রদান করেন। তবে অন্যান্যদের মতো বিজেপি দলের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি তিনি। বিজেপি শিবিরের তরফ থেকে প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়ে শেষ-মেষ তৃণমূলেই থেকে যান জিতেন্দ্র তিওয়ারি।

এদিকে জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে দলেই কোণঠাসা করে রাখার অভিযোগ তুলেছেন তার সমর্থকরা। দলীয় কর্মসূচিতে তাকে এখন আর সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। ব্লক সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর অঙ্গুলিহেলনেই দলে কোণঠাসা হয়ে রয়েছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি, এমনটাই অভিযোগ করছেন জিতেন্দ্র সর্মথকরা। তাই জিতেন্দ্রর “দলের মূল স্রোতে ফিরে আসতে চাই” শীর্ষক মন্তব্যের পরেও দলে তার পুরনো অবস্থান ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দলের জেলা সভাপতি ও আসানসোল পুরসভার কার্যকরী মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা প্রদানের পর থেকেই দলে তার গ্রহণযোগ্যতা বেশ প্রভাবিত হয়েছে। বিশেষত তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তার প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “এলাকায় ঢুকলে ঠ্যাং খোঁড়া করে দেওয়া হবে!” এমন আচরনের পরিপ্রেক্ষিতেই এদিনের এই মন্তব্য করেছেন জিতেন্দ্র, এমনটাই অনুমান রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।