খুলে দেওয়া যেতে পারে প্রাথমিক স্কুল, করোনায় কাবু হয় না শিশুরা! জানালো AIIMS প্রধান

11
খুলে দেওয়া যেতে পারে প্রাথমিক স্কুল, করোনায় কাবু হয় না শিশুরা! জানালো AIIMS প্রধান

করোনাকালে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে স্কুল কলেজের পঠন পাঠন বন্ধ রয়েছে। যে কারণে মহা সমস্যায় পড়েছে পড়ুয়ারা। অনলাইনে পড়াশোনা করতে অভ্যস্ত নয় এই প্রজন্ম। তবুও অনলাইন ছাড়া এখন আর কোনো বিশেষ গতিও নেই। তবে সম্প্রতি আইসিএমআরের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল যে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রাথমিক স্কুল গুলিকে খুলে দেওয়া যেতেই পারে। কারণ করোনা শিশুদেরকে তেমনভাবে কাবু করতে পারে না।

এতদিন করোনা নিয়ে শিশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে চিন্তিত ছিল বিশেষজ্ঞ মহল। তবে আইসিএমআর এর সাম্প্রতিক এই নির্দেশিকা উঠে এলো উল্টো তত্ত্ব। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, করোনাকালে বড়দের স্বাস্থ্য নিয়ে যতটা চিন্তা রয়েছে, ছোটদের নিয়ে কিন্তু ততটা চিন্তার কোনো বিষয় নেই। AIIMS প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া জানালেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের থেকে বেশি। অতএব প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্র গুলি কি এখন খুলে দিলে তেমন কোনো সমস্যা হবে না বলেই তিনি মনে করেন।

ICMR-এর ডিজি বলরাম ভার্গবও জানাচ্ছেন, বড়দের মতো ছোটদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে। চতুর্থ সার্ভে রিপোর্ট থেকে উঠে এসেছে এই তত্ত্ব। অতএব এখন যদি প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্র গুলি কে খুলে দেওয়া হয় তাহলে সেক্ষেত্রে বড়োসড়ো কোনো বিপদ হবে না বলে তিনি মনে করেন। তবে স্কুল খোলার আগে অবশ্যই স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের টিকাকরণ নিশ্চিত করতে হবে। নিজের বক্তব্য সিদ্ধ করতে তিনি ইউরোপের উদাহরণ টেনেছেন।

তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন ইউরোপের বেশ কিছু দেশে ইতিমধ্যেই প্রাথমিক স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে। ICMR-এর ডিজি বলরাম ভার্গবও মনে করেন ইউরোপের মতোই ভারতবর্ষেও প্রাথমিক স্কুলগুলিকে খুলে দেওয়া যেতেই পারে। আইসিএমআরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে দেশের ৬৭.৭ শতাংশ মানুষের দেহে ইতিমধ্যেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ৬ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশেরই শরীরে অ্যান্টিবডি রয়েছে বলে দাবি করছে আইসিএমআর।