পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি খেলে দূরে থাকবে রোগ ব্যাধি

6
পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি খেলে দূরে থাকবে রোগ ব্যাধি

ছোটবেলায় আমরা একটি কবিতা প্রায় শুনে থাকতাম, আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম গাছে মৌ। এই আতাফল আমরা সবাই চিনি। এই ফল খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। কিন্তু শুধুমাত্র স্বাদের দিক থেকে নয়, পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ হয়ে থাকে এই ফলটি।

এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম। আতা ফলের বেশ কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে। আমরা সবগুলোকেই ইংরেজিতে বলি কাস্টার্ড অ্যাপেল, সুগার আপেল এবং সুগার পাইনাপেল। অঞ্চল ভেদে নিজের নাম পালটে ফেলে এই আতা ফল।

এই ফলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান। তাছাড়া আতাফল নানা রোগ প্রতিরোধে খুবই উপকারী। আসুন জেনে নিন, পাতা পড়ে থাকা বিভিন্ন গুনাগুন সম্পর্কে।

১) আমি যদি কখনো ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন,তাহলে আপনার রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা কমানোর জন্য আতা ফল খাওয়া শুরু করে দিন।এছাড়া কাশ্মীর আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ডায়াবেটিস ফাইবারের উপস্থিতি থাকার কারণে এটি চিনির শোষণ কমিয়ে দেয়।

২) হাঁপানি রোগী হিসেবে অবশ্যই খেতে পারেন আতাফল। এটি ভিটামিন বি ৬ সমৃদ্ধ, যা আপনার হাঁপানি প্রতিরোধে সাহায্য করবে।

৩) আতা ফলের বীজ দেহের ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে। এই বেশ ব্যবহারের মাধ্যমে ত্বকের গভীরে থাকা কোষের বৃদ্ধি পায়, এবং ক্ষতস্থানের ব্যথার সঙ্গে সঙ্গে ঠিক হয়ে যায়।

৪) গর্ভাবস্থায় যদি আপনি খেতে পারেন আতাফল, তাহলে আপনার গর্ভপাতের ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস হবে। সকালের দুর্বলতা দূর করে আপনার শারীরিক ব্যথার উপশম ঘটায় এই ফল।

৫)সন্তান হয়ে যাবার পর আতা ফল খেলে স্তনের দুধের উত্পাদন অনেকটাই বেড়ে যায়।

৬) আতা ফলের গুঁড়ো এক গ্লাস জলে মিশিয়ে খেলে, আপনার ডায়রিয়া সমস্যা মুহূর্তে ঠিক হয়ে যেতে পারে।

৭) আতা গাছের পাতার নির্যাস স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি স্তনের মধ্যে থাকা বিষাক্ত টক্সিনকে দূর করতে সাহায্য করে।

৮) আতা ফলের চামড়া ব্যবহার করলে আপনার দাঁত পরিষ্কার থাকে। এটি আপনার দাঁত ক্ষয় রোধ করে এবং মাড়িকে আরও মজবুত করে।