দিঘায় সার্কিট ট্যুরিজম চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন

7
দিঘায় সার্কিট ট্যুরিজম চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন

বাঙালির কাছে পছন্দের ঘোরার জায়গা মানেই দীপুদা – দীঘা, পুরী আর দার্জিলিং। আজকাল তো মানুষ দুদিনের ছুটি পেলেই দীঘা ঘুরতে চলে যায়। দীঘা, মন্দারমণি, শঙ্কর পুর, তাজপুরের অবারিত সমুদ্র সৈকতে দুটো দিন দারুণ ভাবে কাটানো যায়। তবে সম্প্রতি দিঘার পর্যটন ব্যবস্থাকে উন্নত করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। প্রশাসনের তরফে সার্কিট ট্যুরিজম চালু করার কথা বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এহেন উদ্যোগে এবার থেকে দিঘা গেলে সমুদ্র সৈকতে সময় কাটানোর পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারবেন সেখানকার প্রাচীন রাজবাড়ি, ধর্মীয়, ঐতিহাসিক স্থান সহ অন্যান্য অনেক জায়গা।

বেশ কয়েক বছর আগে জেলা প্রশাসনের তরফে এরকম একটি উদ্যোগের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু তা বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয় নি। বর্তমানে ট্যুরের পরিকল্পনা য় বেছে নেওয়া হয়েছে তমলুক, মহিষাদল, পটাশপুর ইত্যাদি আরও অনেক জায়গা। এবার থেকে দিঘা গেলেই ঘুরতে পারবেন তমলুক, ময়নাগড়, পটাশপুর ইত্যাদি নানান জায়গার রাজবাড়ি, কপালকুণ্ডলা মন্দিরের মতো ঐতিহাসিক স্থান, কবরখানা, খেজুরির প্রাচীন ডাক, টেলিগ্রাফ অফিস ইত্যাদি জায়গায়।

সার্কিট ট্যুরিজম আপাতত পুজোর পরেই শুরু হবে বলে খবর। তার জন্য ১৫০ জন গাইডকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। হেরিটেজ কমিশনের উদ্যোগে মহিষাদল রাজবাড়ি সংস্কারের কাজ জোরকদমে চলছে। পর্যটকদের জন্য এই রাজবাড়িতে রাত্রি যাপনের ব্যবস্থাও করা হবে।

দিঘাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য ওখানে তৈরী হবে চিড়িয়াখানা। তার জন্য বন দফতরের তরফে দিঘায় ১২ একর জমিতে আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে সমান উচ্চতার জগন্নাথ ধাম গড়ে উঠছে নিউ দিঘা স্টেশন লাগোয়া ভোগীব্রহ্মপুর মৌজার বিস্তীর্ণ উঁচু বালিয়ারির ওপর । এসবের সাথে দিঘার নায়কারী মন্দির এবং সংলণ্ণ এলাকা নতুন করে সেজে উঠছে। সেই সাথে দিঘা থেকে তাজপুর পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভের কাজও চলছে।