একেকটি আমের ওজন ২-৩.৫০ কেজি! যা টেক্কা দিতে পারে মালদা এবং মুর্শিদাবাদের আমকেও

20
একেকটি আমের ওজন ২-৩.৫০ কেজি! যা টেক্কা দিতে পারে মালদা এবং মুর্শিদাবাদের আমকেও

গ্রীষ্মকাল মানেই ফলের রাজা আমের কাল। কেবল আম খাওয়ার লোভেই বাংলার মানুষ অধীর আগ্রহে গ্রীষ্মকালের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। সারা বাংলার মধ্যে মালদা এবং মুর্শিদাবাদের আম জগৎ বিখ্যাত হিসেবে ধরা হয়। তবে জানেন কি বাংলার মালদা এবং মুর্শিদাবাদের আমকেও কার্যত টেক্কা দিতে পারে মধ্যপ্রদেশ? এই রাজ্যে এমন এক প্রজাতির আম ফলে যার একেকটির মূল্য ৫০০ টাকার কমে নামেই না!

আমের রাজা যদি ফজলি হয় তাহলে, এই প্রজাতির আমকে নিঃসন্দেহে আমের রানি বলা যেতে পারে। সম্রাজ্ঞী নূরজাহানের নামের উপর ভিত্তি করেই এই আমের নামকরণ করা হয়েছে। গুজরাত সীমান্তের কাছে ইনদওর থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে মধ্যপ্রদেশের আলিরাজপুর জেলার কাট্ঠিওয়ারাতেই কেবল নুরজাহান আমের চাষ করা হয়। সারা ভারতবর্ষের মধ্যে একমাত্র এই স্থানেই নুরজাহান আমের গাছ রয়েছে।

শোনা যায় এই আমের উৎপত্তিস্থল নাকি আফগানিস্থান। কাট্ঠিওয়ারাতে একটি আমের বাগানে কেবল ছয়টি নূরজাহান আমের বাগান রয়েছে। নুরজাহান আমচাষি শিবরাজ সিংহ সেই বাগানের এবং গাছগুলির দেখভাল করেন। তার বাবা ঠাকুর পি সিংহ গুজরাত থেকে ওই আমের চারাগাছ নিয়ে এসেছিলেন মধ্যপ্রদেশে। তার পর থেকেই তারা বংশ পরম্পরায় এই গাছের চাষ করে চলেছেন।

একেকটি নুরজাহান আমের ওজন হয় ২-৩.৫০ কেজি! এর দামও প্রচুর। ৫০০-১০০০ টাকা দরে বিক্রি হয় প্রতিটি আম। আগে নাকি একেকটি আম ৫ কেজি ওজনের হতো! বর্তমানে আমের ওজন কমেছে। মধ্যপ্রদেশ সরকার এই বিরল প্রজাতির আম গাছ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমের জন্য পেটেন্ট-এর আবেদনও করা হয়েছে।