বিশ্ববাজারে কোটি টাকায় বিকোচ্ছে দুমুখো সাপ! জানুন কারন

10
বিশ্ববাজারে কোটি টাকায় বিকোচ্ছে দুমুখো সাপ! জানুন কারন

‘দুমুখো সাপ’, সাধারণত এক ধরনের গালাগালি হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন বাংলার মানুষেরা। তবে জানেন কি আন্তর্জাতিক বাজারে এই সাপের দাম কোটি টাকা? বিশ্ববাজারে খোঁজ নিলে দেখা যাবে সেখানে দুমুখো সাপ প্রায় কোটি টাকার সামিল! শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। ভারতের উত্তর প্রদেশের বাসিন্দারা তাই এইসব দেখলে নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করছেন।

ইংরেজিতে রেড স্যান্ড বোয়া, বাংলাতে দুমুখো সাপকে নিয়ে এই মুহূর্তে মাতামাতি চলছে উত্তরপ্রদেশ জুড়ে। কারণ উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকাতে এই সাপের দেখা মেলে। অনেকটা গেকো বুহা তক্ষকের ধাঁচের এই সাপ বিশ্ববাজারে দুর্মূল্য। এই সাপের শরীর থেকে যৌনশক্তি বর্ধক ওষুধ তৈরি হয়। পাশাপাশি, অনেকে মনে করেন এই সাপের গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এক ধরনের প্রকারের পদার্থ বয়স ধরে রাখে। তবে কী ভাবে সাপের গ্রন্থি থেকে সেই পদার্থ বের করে আনতে হয় তা অনেকেরই অজানা।

দুমুখো সাপের মধ্যে যাদের গায়ে হালকা হলুদ এবং লালের মিশ্রণ রয়েছে তাদের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া। ভারত সরকার এই প্রজাতির সাপকে সংরক্ষিত বলে ঘোষণা করেছে। তবে হলে কি হবে? উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ এবং হরিয়ানা থেকে এই সাপ আন্তর্জাতিক বাজারে পাচার হয়ে যাচ্ছে এই দুমুখো সাপ। এমন সাপ সাধারণত মাটির নিচে থাকে।

উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন এই সাপ সৌভাগ্যের প্রতীক। মেরঠ এবং লখিমপুরখেরির বাসিন্দারা দুমুখো সাপকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মানেন। এ সাপের চামড়া সাধারণত জুতো, পার্স, ব্যাগ তৈরির কাজে লাগে।