পান, সিঙ্গারা বিক্রি করেই কোটিপতি! দেন না জিএসটি! চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের

18
পান, সিঙ্গারা বিক্রি করেই কোটিপতি! দেন না জিএসটি! চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের

রাস্তায় ঠেলা গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পান, চাট, সিঙারা যারা বিক্রি করেন তাদের হতছেদ্দা করবেন না কিন্তু! কারণ তারা যতটা অর্থ-সম্পদের মালিক, বড় কোম্পানির সিইওদেরও হয়তো অত ধন সম্পদ নেই। শুনতে অবাক মনে হলেও, এমনটাই সত্যি। আর এমন কাণ্ড সম্প্রতি ধরা পড়েছে উত্তরপ্রদেশে। কানপুরে বিগ ডেটা সফটওয়্যার, আয়কর বিভাগ এবং জিএসটি রেজিস্ট্রেশনের তদন্তে সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর এমন তথ্য উঠে এসেছে।

এক, দুই জন নয়, ২৫৬ জন এমন কোটিপতি সন্ধান পেয়েছে আয়কর দপ্তর। এদের মধ্যে কেউ হয়তো রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঠেলাগাড়িতে করে পান, চাট কিংবা শিঙাড়া বিক্রি করে, কেউ হয়তো ভাঙাচোরার ব্যবসা করে। আর এই ব্যবসা করেই তারা তিন -তিনটি গাড়ি, কোটি টাকার সম্পত্তি কিনে ফেলেছেন। আর তার জন্য অবশ্য তারা একটি পয়সাও জিএসটি দেন না! ছদ্ম গরিব সেজে দিনের পর দিন আয়কর ফাঁকি দিয়ে এসেছেন তারা।

রাস্তায় দাঁড়িয়ে খাবার বিক্রি করে কিংবা ফল বিক্রি করে শত শত বিঘা জমি কিনে ফেলেছেন তারা। যারা নিয়মিত ট্যাক্স দেন বা ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করে তাদের পাশাপাশি প্রতিটা গলিতে যারা ছোট ব্যবসা চালাচ্ছেন তাদের উপরও নজর রেখেছিল আয়কর দপ্তর। আর তাদের নিয়ে গোপনে তদন্ত চালাতে গিয়ে তাদের নিয়ে যে তথ্য উঠে এসেছে তাতে চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের।

কানপুরের প্রচুর ব্যবসায়ী গত চার বছরে এক পয়সা জিএসটি দেননি। অথচ এদের মধ্যে অনেকেরই আবার ৩৭৫ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। ৩০ কোটি টাকার কিষাণ বিকাশ পত্র থেকে শুরু করে ৬৫০ বিঘা জমিও কিনে ফেলেছেন অনেকেই। সম্প্রতি দুই ভাঙাচোরা ব্যবসায়ী ১০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ কিনেছেন। এই পরিসংখ্যান দেখে অবাক হয়েছেন আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা।