স্বপ্নভঙ্গ প্রণতির! শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পৌঁছেও পেলেন না টিকিট

16
স্বপ্নভঙ্গ প্রণতির! শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পৌঁছেও পেলেন না টিকিট

টোকিওতে চলছে অলিম্পিক ২০২০। অন্যান্য বারের মতো এবারেও বিভিন্ন ফিল্ডে অংশগ্রহণ করেছেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা। আজ সকাল থেকেই ভারত থেকে অলিম্পিক্সে আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকে -র টিকিট পাওয়া একমাত্র মহিলা অ্যাথলিট প্রণতি নায়েকের উপর নজর ছিল ভারতীয় সমর্থনকারীদের। তবে শেষ রক্ষা হল না। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পৌঁছেও টিকিট পেলেননা প্রণতি। প্রণতির স্বপ্নভঙ্গের পাশাপাশি আশাভঙ্গ হলো ভারতীয় সমর্থনকারীদের।

চার রাউন্ড মিলিয়ে তার সঞ্চিত মোট পয়েন্ট ৪২.৫৬৫৷ এই রেকর্ড পয়েন্টও তাকে মূল পর্বের টিকিট পাইয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। যোগ্যতা অর্জনপর্বে ১২ স্থান অর্জন করে মূল পর্বে শেষমেষ পৌঁছতে পারলেন না প্রণতি। বারাসাতের প্রণতি নায়েকের লড়াইয়ের পথটা ছিল বেশ কঠিন। এমনও দিন গেছে যখন তাকে শুধু মুড়ি খেয়ে প্র্যাকটিস করতে হয়েছে। সংসারের নিত্য অভাবে মাঝেও তিনি তার লক্ষ্য পূরণের দিকে এগিয়ে চলেছেন।

সেই মেয়েই আজ টোকিও অলিম্পিকে ময়দানে পৌঁছে গিয়েছেন। ভারতের একমাত্র জিমন্যাস্ট হিসেবে তিনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন। বারাসাতের পিংলার বাসিন্দা প্রণতি নায়েক। তার বাবা পেশায় একজন বাস চালক। নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে হয়েও জিমন্যাস্ট হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন প্রণতি। তবে করোনাকালে তিনি আর সেভাবে অনুশীলন করে উঠতে পারছিলেন না।

একজন জিমন্যাস্টের জন্য অনুশীলনটা অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু করোনাকালে কড়া লকডাউন চালু থাকার সময় কার্যত বাড়িতেই বন্দী হয়ে থাকতে হয়েছিল তাকে। সেই সময় ভারতের ওপর আরেক জাতীয় লেভেলের জিমন্যাস্ট তথা রেলের কোচ রাখি দেবনাথ তার পাশে এসে দাঁড়ান। প্রণতিকে নিজের কাছে এনে রাখেন তিনি। রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করে অনুশীলন করেছিলেন তিনি। তবুও এই দফায় জয় অধরাই থেকে গেল।