সারাদিন কি গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন? জানুন এর পেছনে কি কি সমস্যা থাকতে পারে

9
সারাদিন কি গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন? জানুন এর পেছনে কি কি সমস্যা থাকতে পারে

প্রায় এক সপ্তাহ টানা খাওয়া-দাওয়া করা হয়েছে বাইরে। তাই এই মুহূর্তে মানুষের সবথেকে সমস্যা হলো গ্যাসের সমস্যা। এই সমস্যা কমবেশি প্রত্যেক মানুষের হয়। বেশিরভাগ মানুষ দিনে ৫ থেকে ১৫ বার গ্যাস বের করতে পারেন। কিন্তু আপনার যদি মনে হয় আপনি দিনে এই অংকের থেকে বেশি গ্যাস বার করেন, তাহলে এর পেছনে কিছু সমস্যা থাকতে পারে। চলুন সমস্যাগুলি জেনে নেয়া যাক।

বেশি বাতাস যদি শরীরে প্রবেশ করে: আপনি যতই গ্যাস পাস করুন না কেন, গ্যাস যদি কোনভাবে অংশের কাছে পৌঁছে যায়, তাহলে সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। আমি যখন আপনার মুখ দিয়ে বাতাস নিচ্ছেন, সেটাও আপনার ভেতরে গ্যাস হিসাবে থেকে যাচ্ছে। অতিরিক্ত গ্যাস হয়ে গেলে সেই গ্যাস মাঝে মাঝে ঢেকুরের আকারে বের হয় মাঝে মাঝে গ্যাসের আকারে।

খারাপ অভ্যাস: চুইংগাম অথবা অন্য কোনো শক্ত ক্যান্ডি খাবার সময় আপনার মুখে বেশি বাতাস চলে যায়। এছাড়া তাড়াতাড়ি খেলে অথবা স্ট্রয়ের সাথে যদি কিছু পান করেন,তাহলে আপনার পেটে বেশি গ্যাস উৎপন্ন হয়। এছাড়াও যদি আপনার কলম অথবা অন্যকিছু চেবানোর অভ্যাস থেকে থাকে,তাহলে আপনার পেটে অতিরিক্ত গ্যাস প্রবেশ করে।

কার্বোনেটেড পানীয় গ্রহণ করা: বিয়ার সোডা অথবা বুদবুদ জাতীয় এমন কোন পানীয় যা পেটের মধ্যে গ্যাস তৈরি করতে পারে, এই ধরনের পানীয় পান করলে আপনার পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই গ্যাসের সমস্যা থাকলে এই সমস্ত পানীয় পান করা থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন।

ঘুমানোর সময় মুখ খোলা রেখে ঘুমানো: আপনি যদি দিনের বেলা মুখ দিয়ে অতিরিক্ত বায়ু নাও প্রবেশ করান, ঘুমের সময় মুখ খোলা রেখে যদি ঘুমানোর অভ্যাস থাকে, তাহলে পেটে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস সৃষ্টি হতে পারে।

খাদ্যাভ্যাসের কারণে: মটর, ব্রকলি বা শাক, সবুজ শস্য, সাইলাম যুক্ত ফাইবার জাতীয় খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে। এই খাবার ঠিকমতো হজম হয়না, যার কারণে গ্যাস সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও দুগ্ধ অথবা আঠালো দ্রব্য মানুষের জন্য উপযুক্ত নয় এবং এর ফলে গ্যাস সৃষ্টি হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য: যদি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে এবং খাদ্য অন্ত্রে ধীরে ধীরে পৌঁছায়, তাহলে এটি গ্যাস তৈরি করার সুযোগ বেশি করে দেয়। পেটে যখন খাবার দীর্ঘ সময় থাকে, তখন জীবাণুগুলো দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকে এবং পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে হজম শক্তি কমে যায় এবং কৃত্রিম মিষ্টি অথবা ওষুধ পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে।