জানেন কি মিঠুন চক্রবর্তী কত সম্পত্তির মালিক? দেখে নিন

7
জানেন কি মিঠুন চক্রবর্তী কত সম্পত্তির মালিক? দেখে নিন

জিরো থেকে হিরো কথাটা খুব বেশি মাত্রায় প্রযোজ্য যে মানুষটির ক্ষেত্রে তিনি হলেন মিঠুন চক্রবর্তী। একটা সময় ছিল যখন সামান্য গায়ের রং কালো হওয়ার জন্য ইন্ডাস্ট্রিতে সুযোগ পেত না, একটা কাজের জন্য দরজায় দরজায় ঘুরতে হত, অপমান সহ্য করতে হত। অথচ এই কালো ছেলেই নিজের জেদের বশে প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে হিরো হতে গেলে ফর্সা রং নয়, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অভিনয়ের দক্ষতা এবং নাচের ক্ষমতা। এই দুই গুণ দিয়েই জয় করেছেন হাজার হাজার মানুষের মন।

সেখান থেকেই টলিউড কথা বলিউডের মহাগুরু হয়ে দেখিয়েছেন। শুধু তাই নয় টলিউড থেকে শুরু করে বলিউডের প্রত্যেকে তাঁকে ‘দাদা’ বলে সম্মান জানায়। তবে এখন আর সেভাবে অভিনয় করেন না তিনি। অবশ্য তাঁর উপার্জনের টাকা তাঁর ৭ পুরুষও খেয়ে পরে শেষ করতে পারবে না।

মিঠুন চক্রবর্তী ছিলেন অত্যন্ত গরিব ঘরের সন্তান। দারিদ্র কী তা হাড়ে হাড়ে টের পেতে হতো তাঁকে। বলিউডে গিয়ে আধপেটা খেয়ে মাটি আঁকড়ে পড়ে থেকেছেন জীবনে বড় হওয়ার আশায়, শুটিং ফ্লোরের বাইরে বেঞ্চে ঘুমিয়েছেন। তবুও হাল ছাড়েননি তিনি। তাঁর অসীম ধৈর্য এবং নিজের উপর বিশ্বাসই তাঁকে আজ তাঁর ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়তা করেছে।

আজ বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির কারণে বলিউডের ধনী তারকাদের তালিকাতে তাঁর নাম জ্বলজ্বল করছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মিঠুন চক্রবর্তী প্রায় ৪ কোটি ডলারের মালিক, ভারতীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় আড়াইশো কোটিরও বেশি। অভিনয়ের পাশাপাশি হোটেলের ব্যবসা রয়েছে তার। ভারতের বেশ কিছু জায়গাতে রয়েছে একাধিক হোটেল। এক কথায় তিনি একজন নামী ব্যবসায়ীও বটে। হোটেলের ব্যবসা থেকেও তাঁর প্রচুর টাকা উপার্জন।

বিখ্যাত মোনার্ক গ্রুপ অফ হোটেল তারই সম্পত্তি। উটি এবং মাসিনাগুড়িতেও রয়েছে দুটি বিলাসবহুল হোটেল। তামিলনাড়ুর উটিতে মিঠুন চক্রবর্তীর যে হোটেলটি রয়েছে সেটি তার বিলাসিতার কারণে জনপ্রিয়। এই হোটেলের অন্দরসজ্জা দেখলে তাক লেগে যাবে। তামিলনাড়ুর হোটেলটির মধ্যে রয়েছে সুইমিং পুল থেকে শুরু করে ইনডোর প্লে জোন, ডিস্কো, রেস্তোরাঁ আরও কত কি! হোটেলের বাইরে রয়েছে একটা অনেক বড় বাগান। বাগান সংলগ্ন জায়গাতে রয়েছে হেলিপ্যাড। একসময় শুটিংয়ের জন্য উটিতে এসে সেখানকার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। তারপরই তিনি সেখানেই একটি হোটেল গড়ে তোলার কথা ভাবেন এবং সেইমতো কিছুদিনের মধ্যেই একটি হোটেলও তৈরি হয়।