দিল্লির নেতাদের সঙ্গে বারংবার ফোন দিলীপ ঘোষের! সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে জল্পনা

9
দিল্লির নেতাদের সঙ্গে বারংবার ফোন দিলীপ ঘোষের! সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে জল্পনা

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের পদের মেয়াদ খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে আসছে। সংঘের নিয়ম অনুসারে আবার এক ব্যক্তি দুই বার একই পদের জন্য নির্বাচিত হতে পারবেন না। অতএব দিলীপ ঘোষকে শীঘ্রই তার পদ ছেড়ে সরে দাঁড়াতে হবে। বিজেপিকে এই রাজ্যে জায়গা করে দেওয়ার জন্য তার অবদান অনেক। তার নেতৃত্বেই আজ ১৮ সাংসদ ও ৭৭ বিধায়ক নিয়ে বাংলার একমাত্র শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পেরেছে বিজেপি।

দিলীপ ঘোষের পর রাজ্যে বিজেপির সভাপতি হিসেবে কাকে নির্বাচন করা হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিজেপির অভ্যন্তরেও এখন এই নিয়ে আলোচনা চলছে। বিজেপির তরফ এর নতুন রাজ্য সভাপতি হিসেবে অনেকের নাম প্রস্তাবিত হচ্ছে। তবে এখনো চূড়ান্ত ভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি গেরুয়া শিবির। তবে বঙ্গে দিলীপ ঘোষের বিকল্প খোঁজ পেতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বদের।

এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় নেতারা কার্যত দিলীপ ঘোষকে সামনে রেখেই সাংগঠনিক রদবদল ঘটানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এই নিয়ে দিল্লির নেতাদের সঙ্গে বারংবার ফোনে যোগাযোগ হয়েছে তার। বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, এখনই দিলীপ ঘোষকে সরানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। বদলে তার নেতৃত্বে সাংগঠনিক রদবদল ঘটানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

এর জন্য তিন দিন ব্যাপী একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এই বৈঠকে নদীয়া এবং উত্তরবঙ্গকে বাদ রাখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, দলে অনেক নতুন সদস্য এসেছেন। বিজেপি রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তি হয়েছে। এমতাবস্থায় সাংগঠনিক রদবদল হতেই পারে। এদিকে আবার সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা দিলীপ ঘোষের কাছে দলের নতুন রাজ্য সভাপতির জন্য নাম প্রস্তাব করতে বলেন। দিলীপ ঘোষ এই বৈঠকে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের নাম প্রস্তাব করেন বলে জানা গিয়েছে।