জলপথেও শক্তি বাড়াতে ভারতের নৌসেনায় যুক্ত হল বিধ্বংসী রণতরী আইএনএস কাভারাত্তি

8
জলপথেও শক্তি বাড়াতে ভারতের নৌসেনায় যুক্ত হল বিধ্বংসী রণতরী আইএনএস কাভারাত্তি

লাদাখে ভারত-চীন সীমান্তে সংঘর্ষের আবহে একের পর এক যুদ্ধবিমান, মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের পর এবার জলপথেও নিজের শক্তি বাড়িয়ে চলেছে ভারত। ভারতীয় নৌসেনার শক্তি বাড়াতে এবার নৌবাহিনীর যুক্ত হলো অত্যাধুনিক সাবমেরিন তথা বিধ্বংসী রণতরী আইএনএস কাভারাত্তি। গত বুধবার, ভারতীয় স্থলসেনা বিভাগের প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের উপস্থিতিতে এই স্টেলথ করভেটটি ভারতীয় নৌসেনার অন্তর্ভুক্ত হয়।

বুধবার, বিশাখাপট্টনমের নেভাল ডকয়ার্ডে এ সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আনুষ্ঠানিকভাবেই আইএনএস কাভারাত্তি ভারতীয় নৌসেনা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হলো। উল্লেখ্য, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই রণতরীটি শত্রু পক্ষের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি আরো বৃদ্ধি করলো। এর আগেও অবশ্য এরকম তিনটি জাহাজ ভারতীয় সেনার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ডিরেক্টরেট অফ নেভাল ডিজাইনের তরফ থেকে এই জাহাজের নকশা তৈরি করা হয়েছে।

লাদাখ সীমান্তের পাশাপাশি ভারত মহাসাগরেও চিনা কার্যকলাপ চোখে পড়ছে। পিপলস লিবারেশন আর্মির জলসেনাকে যেকোনো পরিস্থিতিতে পরাস্ত করতে তৎপর হয়েছে ভারত। উল্লেখ্য, আগামী বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ভারত চারটি পি-৮আই বিমান আমদানি করবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি, আগামী বছরেই এরকম আরো ছয়টি বিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে ভারত।

উপকূলীয় অঞ্চলে নজরদারি চালাতে, শত্রুপক্ষের সাবমেরিন ও যুদ্ধজাহাজের অবস্থান জানতে এবং শত্রুপক্ষের উপর অতর্কিত হামলা চালাতে সক্ষম এই যুদ্ধ বিমান গুলি। এই যুদ্ধবিমানে থাকছে অত্যাধুনিক হারপুন ব্লক-২ ক্ষেপণাস্ত্র যার পাল্লা প্রায় ৫০ কিলোমিটার। এছাড়াও এর মধ্যে শত্রুপক্ষের সাবমেরিন ধ্বংস করার জন্য প্রয়োজনীয় হালকা ওজনের টর্পেডো ও ডেপথ চার্জও রাখা হয়েছে। স্থলপথ আকাশপথের পাশাপাশি জলপথেও শত্রুপক্ষকে টেক্কা দিতে সমর্থ ভারত।