অপকর্মের দায়ে মৃত্যু সঙ্গীর! আতঙ্কে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ বাকি দুই সঙ্গীর

14
অপকর্মের দায়ে মৃত্যু সঙ্গীর! আতঙ্কে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ বাকি দুই সঙ্গীর

আমরা মানুষ। স্বাভাবিক ভাবেই আমরা দেবতাকে বিশ্বাস এবং ভয় দুটোই করি। জীবনের চরম সংকটের সময় আমরা দ্বারস্থ হয়ে থাকি আমাদের আরাধ্য দেবতার। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু মানুষ এমন কিছু ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেন যার ফলে তাদের পরবর্তী সময় বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। নাস্তিক অথবা আস্তিক কেউ ঈশ্বর কে দেখেননি, এ কথা সত্যি কিন্তু সর্বশক্তিমানের শক্তির আন্দাজ করার মত যোগ্যতা আমাদের কারো কাছেই নেই।

সম্প্রতি মন্দিরের দান বাক্স তে আপত্তিকর কিছু বস্তু ফেলেছিলেন দুই যুবক। কিন্তু তাদের জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যায় যার ফলে তারা নিজেরাই এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে। জানতে পারা যায় যে, এই দুষ্কর্মের জড়িত তাদের তৃতীয় সঙ্গী হঠাৎই রোগ আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তাই বাকি দুই জনের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাড়াতাড়ি তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে ফেলে।

পুলিশ সূত্র থেকে জানা গেছে, ম্যাঙ্গালোর কোরা জাগাতে শিব মন্দিরের দান বক্স সম্প্রতি আপত্তিকর কিছু বস্তু ফেলা হয়। এই ঘটনায় পূণ্যার্থীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অবিলম্বে অপরাধীদের খুঁজে শাস্তি দেবার কথা বলতে থাকেন তারা। ঘটনা তদন্ত করতে নেমে যখন পুলিশ অপরাধীদের খোঁজ করতে শুরু করে তখন হঠাৎ অপরাধীরা নিজেরাই নিজেদের দোষ স্বীকার করে পুলিশের কাছে ধরা দেয়।

অভিযুক্তদের মধ্যে দুইজনের নাম হল আব্দুর রহিম এবং তৌফিক। অভিযুক্তরা জানিয়েছে যে, মন্দিরের দান বক্স আপত্তিকর বস্তু তারাই ফেলেছিল। এই কাজে তাদের সাহায্য করেছিল নওয়াজ। সে কালোজাদুর অভ্যাস করত। মৃত্যুর আগে বাকি দু’জনকে বলে দেয় যে, ভগবান শিবের প্রকল্পে তার এই পরিস্থিতি হয়েছে। অবিলম্বে বাকি দুই জনকে আত্মসমর্পণ করার পরামর্শ দেয় নওয়াজ। তৌফিকের শরীরেও কয়েকদিন ধরে একই রকম রোগের উপসর্গ দেখা যাচ্ছিল। তাই বিন্দুমাত্র দেরি না করে তারা বুধবার রাতে মন্দিরে যায়। সেখানে প্রথমে পুরোহিতের কাছে অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চায়। তারপর নিজেরা আত্মসমর্পণ করে পুলিশের কাছে।

এই প্রসঙ্গে ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন যে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত করার পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।