ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ এর আতঙ্কে রীতিমতো ঘুম উড়েছে প্রশাসন এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের

24
ঘূর্ণিঝড় 'যশ' এর আতঙ্কে রীতিমতো ঘুম উড়েছে প্রশাসন এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের

উত্তর আন্দামান সাগর ও পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগরে শনিবার অর্থাৎ ২২ মে নাগাদ একটি অত্যন্ত শক্তিশালী নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে চলেছে। যে নিম্নচাপ ক্রমশ নিজের শক্তি বাড়িয়ে অদূর ভবিষ্যতে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের রূপ ধারণ করতে চলেছে। এই ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় এর নাম রাখা হয়েছে “যশ”! আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে যশ নাকি গতবছরের আম্ফানের তুলনায় আরও বেশি শক্তিশালী এবং ভয়াবহ।

নিম্নচাপ সৃষ্টির ঠিক ৭২ ঘন্টার মধ্যে শক্তি বৃদ্ধি করে ২৬ থেকে ২৭ মে’র মধ্যেই দিঘা বা ওড়িশা-বাংলার উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা জিকে দাস জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় যত উপকূলের দিকে এগিয়ে আসবে, উড়িষ্যা এবং বাংলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত আরম্ভ হবে। অতএব আগামী মঙ্গলবার থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব শুরু হতে চলেছে।

এরপর ধীরে ধীরে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়বে। রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বাড়বে। হালকা থেকে মাঝারি হয়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে উপকূলীয় অঞ্চলের জেলাগুলিতে। ভয়ঙ্কর এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তাই পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং কলকাতাকে আগেভাগেই সতর্ক করে দিল হাওয়া অফিস।

পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, শঙ্করপুর, জুনপুট, মন্দারমনি, তাজপুরের সৈকতেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে চলেছে বলে জানানো হয়েছে। ঝড়ের আতঙ্কে রীতিমতো ঘুম উড়েছে প্রশাসন এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দাদের। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় তাই আগে থেকেই সতর্ক হয়েছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর আগে থেকেই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে।