ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা বঙ্গোপ্সাগরে

44
ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা বঙ্গোপ্সাগরে

এ যেনো মেঘ না চাইতেই জল, আজ্ঞে হ্যা রাজ্য বাসী বৃষ্টি চেয়েছিল, এই গরমের হাত থেকে বাচার জন্য, কিন্তু এ যে একেবারে ঘূর্ণিঝড়।এদিকে রাজ্যে এখন করোনা নিয়ে সবাই চিন্তিত, তার উপরে আবার এই ঘূর্ণিঝড়।এবার আবহাওয়া দপ্তর জানিয়ে দিলয়াগামী মাসের প্রথম দিকে বা এই এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এঈ ঘূর্ণিঝড়ের দাপট শুরু হবে, আর তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই উপকূলের জেলাগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ হবে।তবে এখনও জানা যায় নি কোথায় বেশী, কোথায় কম প্রভাব পরবে? তবে আন্দামান নিকোবরে দারুণ ঝড় বৃষ্টি হবে।

এদিকে আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে আগামী মাসের প্রথম দিকেই ঘূর্ণিঝড়ে দাপট শুরু হবে আন্দামান এর কাছে দক্ষিণ –পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। মৌসম ভবন সূত্রে জানানো হয়েছিল, বিভিন্ন দফায় দফায় ঘূর্ণিঝড় হবে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। এদিকে জানা গেছে বর্ষার শুরুতে ও বর্ষার শেষের দিকে ঘূর্ণিঝড়ের আবহ তৈরী হয়।বিশেষ করে দ্বীপ গুলোতে এই ঘূর্ণিঝড়ের সব থেকে বেশি প্রভাব পরবে। আরও আগামী দিন গুলোতে এর স্পষ্ট প্রভাব পরবে, আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে। এদিকে উপমহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আসলে এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায় নি, কোথায় কোথায় এর প্রভাব পরবে। তবে আগামী ২৭ এপ্রিল ঘূর্ণাবাত সৃষ্টি হওয়ার একটা সম্ভাবনাই আছে। আর এটাই যে পরবর্তীতে একটা ভয়ঙ্কর রুপ ধারণ করবে সেটা জানা গেছে।

এদিকে আবার আশ্বাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর, তারা জানিয়েছেন গত কয়েকবছরের ইতিহাস ঘেটে যদি দেখা যায় তাহলে দেখা যাবে বড় বড় সব ঘূর্ণিঝড় বাংলার দিকে আসে নি, আর বিশেষ করে যে ঘূর্ণিঝড় এপ্রিলের দিকে সৃষ্টি হয়েছে সেই সব ঘূর্ণিঝড়। কারণ সেগুলো সব বাংলাদেশ ও মায়ানমারের দিকে। এদিকে কিছু কিছু ঘূর্ণিঝড় অবশ্য বাংলাতে এসেছে সেগুলো মে মাসে সৃষ্টি হওয়া, মোট ৭ টি ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছে বাগ্নলায়। বাংলাদেশ , মায়ানমারে সব থেকে বেশী ঘূর্ণিঝড় গিয়েছে ৪০ এর বেশী, কিন্তু বাংলায় মাত্র ৭ টি।

এদিকে দেখা যাচ্ছে ১৩০ বছরের ইতিহাস ঘেটে, যে বাংলায় মাত্র ৪ টি বড় বরো ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছে। তার মধ্যে বুলবুল, ফণিকেও ধরা যেতে পারে, ওড়িশার ওপরে প্রভাব পরেছে ঠিকই কিন্তু তা বাংলাতেও কিছুটা ছাপ ছেড়ে রেখে গেছে। এবারের ঘূর্ণিঝড়ও ঠিক তেমন উত্তর পূর্বের দিকেই মুখ করে আছে ঘূর্ণিঝড় , তাহলে বাংলার তেমন একটা চিন্তা নেই, কিন্তু সেটার পরিবর্তন হলে বাংলাতেও যে কিছু একটা প্রভাব ফেলবে সেটা কিন্তু স্পষ্ট।