উৎসবেও মানতে হবে করোনার বিধিনিষেধ! রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিবের

20
উৎসবেও মানতে হবে করোনার বিধিনিষেধ! রাজ্যগুলিকে চিঠি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিবের

‘দুর্গাপূজা’ – বাঙালীর সবচেয়ে বড় উৎসব। অবশ্য শুধু বাঙালী নয়, বলা ভালো সমগ্র কলকাতাবাসীর কাছেই এক বিরাট মহোৎসব। যার কারণে এত তোড়জোড়, এত অপেক্ষা। বিদেশেও প্রবাসী বাঙালীরা এই উৎসবে মেতে ওঠেন ৫দিন। তবে গত বছর থেকে করোনা অতিমারির কারণে যেন এই উৎসবেও পড়েছে ভাটা। উৎসবের মরশুমেও দেশজুড়ে করোনার বিধিনিষেধ । এই মর্মে বুধবার রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ। সেই চিঠিতে স্পষ্ট বলা রয়েছে, স্থানীয় উৎসবেও করোনার বিধিনিষেধ মানতে হবে রাজ্যগুলিকে।

রাজেশ ভূষণ চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিশেষ কয়েকটি উৎসবের কথা যেমন- মহরম, গণেশ চতুর্থী, জন্মাষ্টমী, ওনাম ও সর্বোপরি দুর্গাপুজো । উৎসবগুলি যে সমস্ত রাজ্যে ধূমের সাথে পালিত হয় সেখানে করোনার বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। তা না হলে করোনার সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। তাঁর মতে, “আমি টেস্ট-ট্র্যাক-ট্রিট-ভ্যাকসিনেট এবং কোভিড যাতে যথাযথভাবে মানা হয় সেদিকটা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্যগুলিতে। এখনও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শেষ হয়নি। সেই কারণে, বিধিনিষেধ শিথিল করার কোনো প্রশ্নই নেই। এরই মধ্যে চিন্তা বাড়িয়েছে আর ফ্যাক্টর। গবেষকরা বলছেন, আর ফ্যাক্টর বৃদ্ধি পাওয়া আসলে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার সংকেতও হতে পারে। তাই উৎসবের সময়ে আরও কঠোরভাবে করোনা বিধি মেনেচলতে হবে অন্ততপক্ষে দেশের ও মানুষের স্বার্থে। আর তা না হলে আরও অনেক বড় ক্ষতির মুখোমুখি পড়বে ভারত।

গতবারও করোনার কারণে দুর্গাপুজোর আনন্দ বেশ খানিকটা মাটি হয়েছিল। বিধি মেনেই পুজো হয়েছিল রাজ্যে। এবছরও পুজো করার জন্য একটি ফোরাম তৈরি হয়েছে। তাদের তরফে ১৪ দফার গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে টিকাকরণে। ইতিমধ্যেই ফোরামের তরফে রাজ্য সরকারের কাছে সেই গাইডলাইন প্রস্তাব আকারে পাঠানো হয়েছে। সরকারের থেকে সবুজ সঙ্কেত পেলেই পুজোর প্রস্তুতি শুরু করবে ফোরাম। যাইহোক সবশেষে এটাই বলব বেঁচে থাকলে এরকম আনন্দ আরও অনেক করতে পারবেন। যতদিন না সব ঠিকঠাক হয় ততদিন একটু সাবধানে থাকাই ভালো। তাতে আপনারাও সুস্থ থাকবেন, পাশাপাশি মঙ্গল হবে দেশেরও।