করোনাকালে মধ্যবিত্তের জন্য পোস্ট অফিস নিয়ে এল দারুন স্কিম, স্বল্প সময়ে ফেরত প্রায় দ্বিগুন টাকা

313
করোনাকালে মধ্যবিত্তের জন্য পোস্ট অফিস নিয়ে এল দারুন স্কিম, স্বল্প সময়ে ফেরত প্রায় দ্বিগুন টাকা

দীর্ঘদিন ধরেই জমানো টাকা গচ্ছিত রাখার জন্য ব্যাংক এবং পোস্ট অফিসের উপর নির্ভর করে আসছেন সাধারণ মানুষ। তবে বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে ব্যাংকের থেকেও অধিক লাভ দায়ক হয়ে উঠছে পোস্ট অফিস। পোস্ট অফিসে ৫ থেকে ৬ বছরের মেয়াদে এমন বেশ কিছু স্কিম রয়েছে, যেখানে বিনিয়োগ করলে নির্ধারিত সময়ের পরে আমানতকারী হাতে একটা মোটা টাকা পেতে পারেন। মাঝে শুধু কিছু দিনের অপেক্ষা, তারপরেই হাতে চলে আসবে প্রায় দ্বিগুন টাকা।

করোনাকালে যখন সাধারন মানুষের হাতে অর্থের যোগান অত্যন্ত কমে গেছে, মধ্যবিত্তের ভাঁড়ারে পড়েছে টান, তখন এমনই কিছু বিশেষ স্কিম নিয়ে হাজির হয়েছে ভারতীয় ডাক বিভাগ। পোস্ট অফিস সূত্রে খবর, একবার বিনিয়োগ করলে নির্ধারিত সময়ের পরে আমানতকারী দ্বিগুণ টাকা পেয়ে যাবেন। যেমন পোস্ট অফিসের ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট স্কিম। এই স্কিমের আওতায় ৭.৯ শতাংশ হারে সুদ পাওয়া যাবে। তবে পলিসি সম্পন্ন হওয়ার মেয়াদের মাঝে টাকা তুলে নেওয়া যাবে না।

পরবর্তী স্কিমটি হলো, পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট। ২০ টাকা থেকে শুরু করে মাসে ১০ হাজার টাকা অব্দি জমা করা যাবে এই স্কিমে। স্কিমের মেয়াদ পাঁচ বছর। পাঁচ বছর ধরে যত খুশি টাকা জমাতে পারেন আমানতকারী। পাঁচ বছরের মেয়াদ সম্পন্ন হলে পোস্ট অফিস আমানতকারীকে একটি মোটা অংকের টাকা ফেরত দেবে। পোস্ট অফিসের মান্থলি ইনকাম স্কিমটিও কিন্তু বেশ জনপ্রিয়। আমানতকারী এই স্কিমে মাসে দেড় হাজার টাকা থেকে সাড়ে চার লক্ষ টাকা অব্দি জমাতে পারেন।

পোস্ট অফিস মান্থলি ইনকাম স্কিমের মেয়াদ ছয় বছর। জমানো টাকার উপর ৭.৬ শতাংশ হারে সুদ মিলবে। কম বিনিয়োগে বেশি লাভ মেলার জন্য আমানতকারীর কাছে এই স্কিম কিন্তু অত্যন্ত জনপ্রিয়। এরপরে রয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম। এই স্কিমের আওতায় পড়েন সেই সকল আমানতকারী যাদের বয়স ৬০ বছর। এই স্কিমে যেমন জমানো টাকার উপর ৭.৪০ শতাংশ হারে সুদ পাওয়া যায়, তেমন আয়কর বিভাগ থেকেও ছাড় পাওয়া যায়।