“সেক্সরসাইজ নয় এক্সেসাইজে আমি এভারগ্রীন” অভিনেত্রী শ্রীলেখা’র মন্ত্যব্য ঘিরে বিতর্ক

14

আগাগোড়াই স্বাস্থ্যসচেতন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিএ। শ্রীলেখা ডায়েট করে কিন্তু সেটা খুব সাধারন। এক্সেসাইজ করেন, রোজ তিনি এক থেকে দেড় ঘন্টা পর্যন্ত যোগা করেন। খাবারের মধ্যে থেকে তিনি ভাজাভুজি থেকে শুরু করে মসলাদার খাবার এড়িয়ে যান সব সময়। কোনরকম আনুষ্ঠানিক জায়গাতে কিংবা পার্টিতেও তাকে খুব একটা বেশি দেখা যায় না।

শ্রীলেখা ভীষন পশুপ্রেমী । তার জীবনের অর্ধেক অংশ জুড়েই রয়েছে তারা। লকডাউন এর সময় রাস্তার কুকুরদের খেতে দেওয়া নিয়ে তার প্রতিবেশীরা তাকে অপমান করেছিল এবং সেই ঘটনা মিডিয়া থেকে পুলিশ থানা পর্যন্ত চলে গিয়েছিল।

সম্প্রতি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেছিলেন “সেক্সরসাইজ নয় এক্সেসাইজে আমি এভারগ্রীন”। এই মন্তব্যকে ঘিরে নেটিজেনদের থেকে তার কাছে প্রশ্ন এসেছে, হঠাৎ তার এই ধরনের মন্তব্য করার কারণ কি।

শ্রীলেখা একটি সাক্ষাৎকারে বলেন যে, ডাক্তারবাবু বলেছেন’ সেক্সকে ভারতবর্ষে ট্যাবু বলে ধরা হয় কিন্তু, দৈনন্দিন জীবনে এটির প্রয়োজন কারণ, শারীরিক অবসাদ এতে কম হয়, এবং হ্যাপি হরমোন ক্ষরিত হয়।

আরও বলেন যে, নিয়মিত শরীরচর্চা করলেও একই ধরনের উপকার মানুষ পেয়ে থাকে। তাই অনেকটা মজা করেই এই ধরনের মন্তব্য তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় করেছিলেন।

সম্প্রতি তিনি এখন প্রায় ওয়েব সিরিজ এর শ্যুটিং নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। পুজোর আগে তিনি সুন্দরবন গিয়ে ত্রাণ বিলি করেছেন এবং ছোট ছোট বাচ্চাদের তিনি পড়িয়েছিলেন। সমাজকল্যাণের সঙ্গে তিনি অনেকটাই জুড়ে গেছেন। সুন্দরবনের প্রত্যেকটা বাচ্চাদের তিনি কথা দিয়েছেন যে, তিনি আবার আসবেন তাদের কাছে।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর টলিউড থেকে শুরু করে বলিউড এবং সব জায়গাতেই নেপোটিজম এর বিরুদ্ধে অনেকেই মুখ খুলতে দেখা যায়, শ্রীলেখা নেপোটিজমের বিরুদ্ধে কথা বলেছিল, যার জন্য তার বেশ কিছু কাছের বন্ধুদের সঙ্গে তার আর এখন সম্পর্ক নেই। তবে, তিনি এই ব্যাপারটাকে অনেকটা পজিটিভ হিসাবে ধরেছেন কারণ, তার মতে জীবনে কিছু ‘নেগেটিভ ভাইবস’ থাকে, তাদের সরে যাওয়াই জীবন থেকে প্রয়োজন।