“ক্লাউড কিচেন” চালু হল কলকাতায়! রেস্টুরেন্ট নয় সমস্ত খাবার পাবেন বেতারের মাধ্যমে

38

করোনার প্রভাবে গোটা বিশ্ব এখন আতঙ্কিত, একাধিক দেশে এবং রাজ্যে চলছে লকডাউনের প্রক্রিয়া। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতি হচ্ছে অর্থনৈতিক অবস্থার, কিন্তু একদিকে যখন লকডাউনের ফলে একাধিক ভাবে ব্যবসা এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি এই লকডাউনের মাঝেই অনেকেই খুঁজে পেয়েছেন আয় করার নতুন পথ। ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে বিজনেস অনেকেই চালু করেছেন।

লকডাউনের জেরে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন জায়গায় একাধিক রেস্টুরেন্ট, যারা হোম ডেলিভারি করে। করোনার ফলে বাইরে বেরোনো মুস্কিল, আমরা সকলেই চাইবো ফোনে অর্ডার দিয়ে খাবার বাড়িতে নিয়ে আসতে। বিভিন্ন রকম খাবারের অ্যাপ আমাদের জানা, কারণ এগুলো অনেক বছর ধরেই চলছে। তবে, লকডাউনের জেরে অনেকেই এই রকম একটি ব্যবস্থা আরো বেশি করে প্রচলিত করছে।

সকলের সামনে এই বিষয়ে কৌশিক টাইগার গঙ্গোপাধ্যায় এবার একটি নতুন ভাবনা চিন্তা প্রকাশ করেছেন “ক্লাউড কিচেন”। এই রকম একটি নাম কেন? আসলে ব্যাপারটা হল একটি ছাদ, কিন্তু তার তলায় পাবেন আপনি একাধিক ধরনের খাবার যেমন ধরুন বাঙালি, চাইনিজ, মোগলাই, তিব্বতি সব রকমের খাবার আপনি পেয়ে যাবেন। কিন্তু এটা কোন রেস্টুরেন্ট নয় এই খাবারগুলি সম্পূর্ণ আপনি পাবেন বেতারের মাধ্যমে।

ব্যাপারটা হল আপনার হয়তো বিভিন্ন রকম খাবার খেতে ইচ্ছে করে, কিন্তু সব রকমের খাবার একটা রেস্টুরেন্টে আপনি পাবেন না, আপনাকে বিভিন্ন রকম খাবার পেতে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট থেকে অর্ডার করতে হবে, তার জন্য আপনার বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন ডেলিভারি বয় আসলে সেই ক্ষেত্রে আপনার খরচ আরো বেশি হবে এবং সেই ভাবনাটাকে এবার কাজে লাগালেন কৌশিক টাইগার গঙ্গোপাধ্যায়।

এই ব্র্যান্ডের তলায় ফ্র্যাঞ্চাইজি নেওয়া যাবে। তবে এই সমস্ত কিছুর দায়িত্বে থাকবে মাদার ব্র্যান্ড। গোটা শহর জুড়ে আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকবে ক্লাউড কিচেনের সদস্যগণ। একমাত্র পেশাদার শেফরাই কিচেনের অংশীদার হতে পারবে। সবথেকে মজার বিষয় হল কেউ যদি মনে করেন যে, খিচুড়ির সাথে মাংস খাবেন, অথবা লুচির সাথে খাবেন মাংস তবে সেই বুঝে আপনি অর্ডার করতে পারবেন। কি খাবেন এবং কেমন খাবেন সবকিছুই আপনার পছন্দসই হবে। তবে এতে আপনি চিন্তা করতে পারেন যে দাম অবশ্যই বেশি হবে, কিন্তু এমনটা নয় কারন, সমস্ত ভাবনা চিন্তা করেই এই ধরনের একটি পরিকল্পনা করা হচ্ছে এবং দাম থাকবে আপনার একদম সাধ্যের মধ্যেই।

খুব শিগগিরই এই রকম একটি পরিকল্পনার জন্য একটি ওয়েবসাইটের লঞ্চ হবে এবং এই রকম একটি পরিকল্পনার মাধ্যমে যে আরও অনেকের কাজের সুযোগ আসবে সেটা মনে করছেন কৌশিক।