ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না সিভিক এবং গ্রিন পুলিশকর্মীদের, নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

8
ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না সিভিক এবং গ্রিন পুলিশকর্মীদের, নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

বাংলার সিভিক এবং গ্রিন পুলিশের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী রাজনৈতিক শিবির গুলির বহু অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, এই সিভিক এবং গ্রিন পুলিশরা আসলে তৃণমূলের ক্যাডার। এরা শাসক দলের হয়েই কাজ করেন। বহু ক্ষেত্রে এদের বিরুদ্ধে ভোটের ব্যালট পেপার পুকুরে ফেলে দেওয়া এবং ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্সে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবার সিভিক পুলিশ এবং গ্রীন পুলিশ কর্মীদের ক্ষেত্রে কড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলো নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে, সিভিক এবং গ্রিন পুলিশকর্মীদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি, সিভিক এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে আরও বেশি সতর্কতা এবং কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সদস্যরা রাজ্যে এসেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সুনিল আরোরাসহ নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা রাজ্যের প্রতিটি জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। উক্ত বৈঠকে কমিশনের আধিকারিকরা রাজ্য প্রশাসকদের থেকে জেলা ওয়াড়ি সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং গ্রিন পুলিশদের তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছেন। সিভিক এবং গ্রিন পুলিশদের রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার বন্ধ করার উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ দিনের বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা সিভিক এবং গ্রিন পুলিশরা কি কাজ করেন, রাজ্যের আইন শৃংখলা রক্ষায় তাদের ভূমিকা কি, তাদের নিয়ন্ত্রণ কর্তা কে, তারা স্থায়ী নাকি চুক্তিভিত্তিক কর্মী ইত্যাদি বিভিন্ন খুঁটিনাটি তথ্য জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। সিভিক এবং গ্রিন পুলিশের বিষয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে শুক্রবার রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সদস্যরা বৈঠকে বসতে চলেছেন।