মন্দিরের প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় ভক্তদের চকলেট ব্রাউনি এবং বার্গার! জানুন কোথায় ?

10
মন্দিরের প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় ভক্তদের চকলেট ব্রাউনি এবং বার্গার! জানুন কোথায় ?

মন্দিরে পুজো দিলেই পাওয়া যাবে প্রসাদ এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সেই প্রসাদ কিন্তু সন্দেশ কিংবা বাতাসে নয় অথবা অন্যকোন ভোগের ব্যবস্থা নয়, পুজো দিলেই পাওয়া যাবে ব্রাউনি। একটু অবাক হলেও বাস্তবে এটাই ঘটছে তামিলনাড়ুর একটা মন্দিরে, যেখানে প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের দেওয়া হচ্ছে বার্গার অথবা ব্রাউনি। তামিলনাড়ুর মফস্বল শহর পদাপ্পাই অঞ্চলে একটি সুন্দর মন্দির আছে সেই মন্দিরের প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় ভক্তদের চকলেট ব্রাউনি এবং বার্গার।

তামিলনাড়ুর বেশিরভাগ মন্দিরে প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হতো তেঁতুল এবং মিষ্টি পোঙ্গলের। কিন্তু তামিলনাড়ুর এই পদাপ্পাই মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া হয় বার্গার এবং ব্রাউনি। এই মন্দিরে শুধু যে প্রসাদের ক্ষেত্রেই আধুনিকতা অর্জন করা হয়েছে তখন তো একদমই নয় মন্দিরের সমস্ত ব্যবস্থা একদম চকচকে।

এই মন্দিরে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে অনেক নিয়ম কানুন আছে। প্রসাদের জন্য অবশ্যই ভক্তকে টোকেন নিতে হবে। এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ভেষজ উপায়ে ক্যান্সার নিরাময় বিশেষজ্ঞকে কে শ্রী শ্রীধর জানিয়েছেন,” মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্য ছিল ভক্তদেরকে এই মন্দিরের দিকে আকৃষ্ট করা। শুধুমাত্র নৈবিদ্য দিয়েই একমাত্র ভগবানকে পুজো করা যায় তা কিন্তু নয়, শুদ্ধ মন এবং শুদ্ধ খাবার এই দুটির মাধ্যমেই ঈশ্বর সাধনায় লিপ্ত হওয়া সম্ভব। মন্দিরের পরিষ্কার জায়গাতে শুদ্ধভাবে এর প্রসার তৈরি করে ভগবানের কাছে নিবেদন করা হয়”।

তাঁর মতে যদি শুদ্ধ মনে যে কোন প্রসাদ ভগবানের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয় তাহলে সেটাই ভগবান গ্রহণ করে। এই মন্দিরের রীতি অনুযায়ী যে সমস্ত ভক্তরা মন্দিরে আসেন তাদের নাম বয়স এবং জন্মদিনের তারিখ এবং ঠিকানা কম্পিউটারের নথিভুক্ত করে নেওয়া হয় সেই সমস্ত ভক্তদের জন্মদিনের দিন মন্দির থেকে মন্দিরের তৈরি কেক পাঠানো হয় তাদের বাড়িতে, এরকম কেক পাওয়াটা বয়স্কদের কাছে বিশেষ প্রাধান্য লাভ করেছে।

৮১ বছরের এক বয়সেই শুভলক্ষ্মীর যার জন্মদিনে পাঠানো হয়েছিল মন্দিরের থেকে তৈরি কেক, যেটা পেয়ে অত্যন্ত আপ্লুত হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কাছে সেটি ছিল জীবনের প্রথম সারপ্রাইজ কেক এবং কেকটি খুব সুন্দর করে সাজানো হয়েছিল তবে মোমবাতির বদলে সঙ্গে দেওয়া হয় একটি প্রদীপ।