সম্প্রতি তিয়ানজু-২ নামের একটি স্বয়ংক্রিয় কার্গো বিমান লঞ্চ করলো চীন

8
সম্প্রতি তিয়ানজু-২ নামের একটি স্বয়ংক্রিয় কার্গো বিমান লঞ্চ করলো চীন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় নয়া সাফল্য লাভ করলো চীন। cargo resupply spacecraft লঞ্চ করলো ড্রাগনের দেশ। তিয়ানজু -২ নামের একটি স্বয়ংক্রিয় কার্গো বিমানকে পুনরায় চালু করেছে চীন। ভবিষ্যতে মহাকাশচারীদের মহাকাশে পাঠানোর ক্ষেত্রে এই কার্গো বিমান অত্যন্ত সহায়তা করবে বলে দাবি করছেন চীনের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। দক্ষিণ চিনের ওয়েংচং স্পেস লঞ্চ কেন্দ্র থেকে লঞ্চ করা হয়েছে এই স্বয়ংক্রিয় কার্গো বিমানটিকে।

চিনের ম্যানডেড স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসের তরফ থেকে সম্প্রতি একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, তিয়ানজু -২ বা চিনের “হ্যাভেনলি ভেসেল” দেশের দক্ষিণ অংশের ওয়েংচং স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে সম্প্রতি সাতটি রকেট লঞ্চ করা হয়েছে। তিয়ানজু -২ , চীনের দ্বিতীয় মহাকাশ মিশন। স্বয়ংক্রিয় মহাকাশযান তৈরির এই প্রথম উদ্যোগেই অভাবনীয় সাফল্য লাভ করে উচ্ছ্বসিত ড্রাগনের দেশ।

প্রযুক্তি বিদ্যায় বিশ্বের অন্যান্য যে কোনো দেশকে টেক্কা দিতে পারে চীন। চিনের ঝুরং রোভার সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহের মাটি ছুঁয়েছে। চীনের নিহাও মার্স অভিযানে মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডলের বাধা পেরিয়ে প্যারাস্যুটের মাধ্যমে ইউটোপিয়া প্ল্যানিশিয়া লাভাভূমিতে নামতে সক্ষম হয়েছে চীনের এই রোভার। মঙ্গল গ্রহের মাটিতে রোভারের সফল অবতরণ ঘটিয়ে কার্যত মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে তারা।

চীনের এই মঙ্গল অভিযানের উদ্দেশ্য হলো মঙ্গলের মাটি থেকে পাথর সংগ্রহ করা, মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে অজানা তথ্য জানা। উল্লেখ্য চীন ছাড়াও রাশিয়া এবং আমেরিকার ইতিমধ্যেই মঙ্গল গ্রহের মাটিতে মহাকাশযান পাঠাতে পেরেছে। ওয়েংচং স্পেস লঞ্চ কেন্দ্রের ইনজিনিয়র-সহ বাকি কর্মীরা চীনের এই নতুন উদ্যোগের সাফল্য লাভ করে বেশ আনন্দিত এবং গর্বিত।