ভারতে সন্ত্রাস ছড়াতে পাকিস্তানকে উসকাচ্ছে চীন, সাহায্য করছে অস্ত্র দিয়েওঃ সূত্র ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগ

9
ভারতে সন্ত্রাস ছড়াতে পাকিস্তানকে উসকাচ্ছে চীন, সাহায্য করছে অস্ত্র দিয়েওঃ সূত্র ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগ

একদিকে চীন, অপরদিকে পাকিস্তান, ভারতকে এখন দ্বৈত শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে হচ্ছে। এদের মধ্যে চীন লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সরাসরি আক্রমণ চালাচ্ছে। তবে পাকিস্তান কিন্তু চীনের মতো ভারতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে জড়ায়নি। তারা বরং জম্বু কাশ্মীর উপত্যকা দিয়ে ভারতে সন্ত্রাসবাদি হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। পাকিস্তান থেকে ভারতে বসবাসকারী সন্ত্রাসবাদীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে ভয়ঙ্কর অস্ত্রশস্ত্র। আর এর পেছনে পরোক্ষে মদত দিচ্ছে চীন। সম্প্রতি এমন তথ্যই প্রকাশ্যে নিয়ে এলেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে খবর, গত জানুয়ারি মাস থেকেই ড্রোনের মাধ্যমে ভারতে উপস্থিত জঙ্গিদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে পাকিস্তানি অস্ত্রশস্ত্র। ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, বিগত কয়েক মাস ধরে জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গি দমন অভিযান চালিয়ে জঙ্গি ঘাঁটিতে তল্লাশি চালানোর ফলে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে সবথেকে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পাকিস্তানি জঙ্গিদের ঘাঁটি থেকে যে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে তার মধ্যে অ্যাসল্ট রাইফেলসহ একাধিক চীনা অস্ত্র বর্তমান।

ফলে, স্বভাবতই গোয়েন্দাদের অনুমান সঠিক বলেই মেনে নিচ্ছেন ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। অর্থাৎ পাকিস্তানকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছে ড্রাগনের দেশ। ভারতে সন্ত্রাস ছড়াতে পাকিস্তানকে উসকাচ্ছে চীন। কাশ্মীর উপত্যকার পুলিশ প্রধান দিলবাগ সিং জানিয়েছেন, রাজৌরি পুঞ্চ এবং কুপওয়ারা কেরান সেক্টর দিয়ে উপত্যাকা অঞ্চলে জঙ্গী অনুপ্রবেশ ঘটানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আর এর পেছনে কুখ্যাত পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জয়েশ ই মোহাম্মদ এবং লস্কর ই তৈবার জঙ্গী সদস্যদের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, কাশ্মীরে অশান্তি ছড়াতে আল বদর জঙ্গিগোষ্ঠীর সাথেও যোগাযোগ রাখছে চীন। ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে খবর, শীতের আগেই উপত্যকা অঞ্চলের জঙ্গীদের কাছে অস্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে পাকিস্তানের। জঙ্গী কার্যকলাপ সম্পর্কে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে অবশ্য আগেই সতর্ক করা হয়েছে। ফলে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যেই উপত্যকা অঞ্চলে কড়া প্রহরার ব্যবস্থা করেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন তল্লাশি অভিযানের মাধ্যমে উপত্যকা অঞ্চল থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করে কার্যত জঙ্গী কার্যকলাপ রীতিমতো ব্যাহত করে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ভারতের সেনাবাহিনী।