মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতেও সিবিআই হানা

10
মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতেও সিবিআই হানা

এই দেশ যেভাবে দুর্নীতিতে ভরে গেছে উপযুক্ত ব্যাবস্থা না নিলে চলছিলো না। তাই বর্তমানে আমরা রোজই দেখছি একজন একজন করে সব অভিযুক্তকে খুঁজে বের করে চলেছেন ইডি ও সিবিআই এর একটা দল। এর আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডলকে অভিযুক্ত হিসাবে নানা প্রমাণের ভিত্তিতে ধরা হয়েছে। তাদের কেস এখনও চলছে। এছাড়াও আরো কিছু চুনোপুঁটিকেও পাকড়াও করেছে সিবিআই যারা সকলেই এসব গোরু পাচার ও এস এস সি কাণ্ডে জড়িত।

তবে আজকে জানা গেলো আরো এক নতুন খবর। এই রাজ্যের আরো এক মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতেও সিবিআই হানা দিল। বুধবার সকালেই সিবিআই এর দল প্রথমে আসানসোলে মলয়ের দু’টি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। কিন্তু সেখানের একটা বাড়িতে তালাবন্ধ দেখে তাঁরা। তাই অন্য আর একটি বাড়িতে যায় সিবিআই এর দল। এই ভাবে টোটাল মলয়ের তিনটি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে সিবিআই। পরে তাঁর অফিসেও যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল।

কিন্তু এখানেই শেষ নয় লেক গার্ডেন – এর বাড়িতেও যায় সিবিআই। এভাবে প্রায় সাতটি জায়গায় যায় তাঁরা। সব জায়গা থেকেই তথ্য সংগ্রহ করছেন তাঁরা। কি পেয়েছেন এখনও জানা যায়নি। সেটা ক্রমশ প্রকাশ্য। তবে শুধু বাড়ি তল্লাশি নয় তার পৈতৃক বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সকলের ফোন ও বাজেয়াপ্ত করেছেন তাঁরা জানা যাচ্ছে সূত্র মারফত। তাছাড়া এটাই তো প্রথমবার নয় এর আগে পুরসভা ভোটের সময় কয়লা পাচার-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের পূর্ত ও আইনমন্ত্রী মলয়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুধু মলয় ঘটকই নয় কয়লা-কাণ্ডে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। নানা জিজ্ঞাসাবাদ করলেও বিশেষ চাপ দিতে পারেন নি। আরো জানা যায় যে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের শালীকা মেনকা কেও ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করার চেষ্টা করেন। তবে তিনি আবার প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। পরে আদালত জানায়, কলকাতাতেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে তাঁকে। পাশাপাশি, কয়লা পাচার-কাণ্ডে এখনই অভিষেকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না ইডি। সম্প্রতি এমনই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের ডিভিশন বেঞ্চ।

অতএব এত মানুষকে ধরলেও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ব্যাপারে এখনও কিছু তেমন জানা যায়নি বলেই বলা যায়।