প্রথাগত নিয়ম ভেঙে এবার স্ত্রীর মঙ্গল কামনায় মঙ্গলসূত্র পড়লেন স্বামী

14
প্রথাগত নিয়ম ভেঙে এবার স্ত্রীর মঙ্গল কামনায় মঙ্গলসূত্র পড়লেন স্বামী

ভারতীয় বিবাহ রীতি অনুসারে বিবাহিতা মহিলাদের শাঁখা (বাঙালি), সিঁদুর, মঙ্গলসূত্র পড়ার নিদান দেওয়া হয়। স্বামীর মঙ্গল কামনার্থে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এগুলি পরিধান করে থাকেন। তবে একজন বিবাহিত পুরুষের ক্ষেত্রে কিন্তু এমন কোনো নিদান দেওয়া নেই। তবে দিন বদলাচ্ছে, যুগ বদলাচ্ছে। এখনকার যুগে পুরুষেরা মনে করেন, যদি তার স্ত্রীর মঙ্গলের জন্য এই ধরনের কিছু রীতি অনুসরণ করেন তাহলে তাতে কিছু ভুল নেই।

নারী পুরুষ উভয়ের অধিকার সমান হলে, তাঁদের জন্য তৈরি সব নিয়ম এক হওয়া উচিত। যদিও এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অনেকেই নানা ভাবে ওই যুবককে অপমান করেন। রীতি বা নিয়ম ভাঙার মতো অপরাধ করেছেন বলেও কথা শোনানো হয়। তবে সে সবে পাত্তা দেওয়ার মানুষই নন এই দম্পতি। তাঁরা খোলা হাওয়ার মতো সমাজে নতুন বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার মানুষ।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পুনেতে বিয়ের সময় এক যুবক তার স্ত্রীর হাত থেকে মঙ্গলসূত্র পরেছিলেন। তার মনে হয়েছিল তার নিজের মঙ্গলের জন্য যদি সামাজিক রীতি অনুসারে স্ত্রী মঙ্গলসূত্র পরিধান করতে পারেন তাহলে তিনি অবশ্যই স্ত্রীর মঙ্গলের জন্য তার হাত থেকে মঙ্গলসূত্র পরতে পারেন। সেইমতো বিবাহ অনুষ্ঠানে স্ত্রীর হাত থেকে মঙ্গলসূত্র পরে নেন ওই যুবক।

সেই মতো বিয়ের আসরেই মঙ্গলসূত্র পরেন ওই যুবক। শুধু তাই নয় তাঁর স্ত্রীর মতো, তিনিও সব সময় মঙ্গলসূত্র পরে থাকেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেই দৃশ্য। এই দৃশ্য দেখে অবশ্য নেটিজেনরা ওই যুবকের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। অনেকের মতে তিনি সামাজিক রীতি ভেঙে অপরাধ করেছেন! তবে এতে অবশ্য কিছু এসে যায় না ওই যুবকের। কারণ এই যুবকের মতো মানুষেরাই সমাজের নারী এবং পুরুষের সমান অধিকারের কথাটির মর্মার্থ বোঝেন। তাই তারা বিশ্বাস রাখেন বিবাহের ক্ষেত্রেও নারী এবং পুরুষের সমান কর্তব্য এবং অধিকার থাকে।

 নারী পুরুষ উভয়ের অধিকার সমান হলে, তাঁদের জন্য তৈরি সব নিয়ম এক হওয়া উচিত। যদিও এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অনেকেই নানা ভাবে ওই যুবককে অপমান করেন। রীতি বা নিয়ম ভাঙার মতো অপরাধ করেছেন বলেও কথা শোনানো হয়। তবে সে সবে পাত্তা দেওয়ার মানুষই নন এই দম্পতি। তাঁরা খোলা হাওয়ার মতো সমাজে নতুন বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার মানুষ। photo source Instagram