“বাঙালিদের একটা অংশই এমন পারে” মুখ্যমন্ত্রীর বাংলা অ্যাকাডেমি প্রাপ্তি-বিতর্কে ক্ষুব্ধ ব্রাত্য বসু!

9

বাংলা একাডেমি গত ২৫ সে বৈশাখ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকীতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করেছে। সাহিত্য চর্চার জন্য তাঁকে দেওয়া হয়েছে বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে রিট্রিভার্সিপ পুরস্কার। যাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। যার কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এর প্রতিবাদে বাংলা একাডেমির দেওয়া অন্নদাশংকর পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন লেখিকা ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্য একাডেমীর উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অনাদিরঞ্জন বিশ্বাস। এবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী তথা বাংলা একাডেমীর সভাপতি ব্রাত্য বসু জানালেন, একমাত্র বাঙালিদের একটা অংশই এমন পারে। বলতে ইচ্ছে করছে, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি। অ-বাঙালিরা এমন করতেন না।

আবার বাংলা একাডেমীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের সমস্ত পুরস্কারই আলাদা-আলাদা জুরি বোর্ড বা বিচারক মণ্ডলী ঠিক করে থাকে। আবার বাংলা একাডেমির অন্যতম সদস্য কবি সুবোধ সরকার জানিয়েছেন, এটি ত্রিবার্ষিক সম্মাননা, যা পাবেন এমন এক জন সাহিত্যিক, যিনি সামগ্রিক সমাজকল্যাণে ও পরিবর্তনে ভূমিকা নিয়েছেন। এটা অনেকটা ম্যাগসাইসাইয়ের মতো। যাঁরা সারা বছর কুৎসা করেন, তাঁরাই মিম বানাচ্ছেন, থ্রেট দিচ্ছেন।

বাংলা একাডেমির দেওয়া অন্নদাশংকর পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন লেখিকা ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের লেখাগুলিকে সাহিত্য পদবাচ্য বলেই মনে করি না। যাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা কী ভাবে এটা নিলেন, তাতে আমি বিস্মিত। সাহিত্য সাধনার বিষয়।