আরো একবার প্রকাশ্যে এলো দক্ষিণ ২৪ পরগনার হরিনাভিতে বিজেপির আভ্যন্তরীন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

7
আরো একবার প্রকাশ্যে এলো দক্ষিণ ২৪ পরগনার হরিনাভিতে বিজেপির আভ্যন্তরীন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিজেপি শিবিরের পাল্লা দিন প্রতিদিন ভারী হচ্ছে। বিরোধী রাজনৈতিক শিবির গুলি থেকে দলে দলে বহু নেতাকর্মী, বিধায়ক, সাংসদ দলে আসছেন। এতে যেমন বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি ঘটছে তেমনি বিজেপি দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কিন্তু বেশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতিপূর্বে বর্ধমান, আসানসোলে বঙ্গ বিজেপি শিবিরের আদি এবং নব্য সদস্যদের মধ্যে বিবাদ বিজেপি শিবিরের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

মঙ্গলবার সন্ধেয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার হরিনাভিতেও বিজেপির আভ্যন্তরীন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরো একবার প্রকাশ্যে এলো। খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সামনেই এদিন গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লেন বিজেপি কর্মীরা। এই ঘটনায় বেজায় ক্ষুব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সূত্রের খবর, কি কারনে এমন ঘটনা ঘটলো তার সম্পূর্ণ তথ্যের রিপোর্ট দলীয় কর্মীদের থেকে চেয়ে পাঠিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এদিন হরিনাভিতে দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল। সেখানেই বিজেপির দুই আদি এবং নব্য গোষ্ঠী নিজের মধ্যে বিবাদ এমনকি হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। রাজ্য সভাপতির সঙ্গে কারা আগে কার্যালয়ে প্রবেশ করবেন, এই ছিলে তাদের বিবাদের মূল কারণ। তর্কাতর্কি থেকে রীতিমতো হাতাহাতি বেঁধে যায় বিজেপি সমর্থকদের মাঝে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিজেপির জেলা নেতৃত্বকেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য ঘটনাস্থলে আসতে হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, “দলের মধ্যে কোনোরকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। দলীয় নেতাকর্মীরা আগামীকাল এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের রিপোর্ট পাঠাবেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে”। এদিকে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে হাতিয়ার করে রাজ্য শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে।