বিজেপির কৃষি ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে! দিল্লিতে কৃষক বিক্ষোভ অব্যাহত

15
বিজেপির কৃষি ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে! দিল্লিতে কৃষক বিক্ষোভ অব্যাহত

টানা এক সপ্তাহের এই কৃষক আন্দোলন, যেখানে হরিয়ানা পাঞ্জাবের কৃষকেরা যোগ দিয়েছে। তাদের এই দিল্লি চলো আন্দোলন এখনো চলছে, তবে তারা এখনও দিল্লি পৌঁছতে পারেনি। কারণ তাদের দিল্লি পুলিশ আটকে দিয়েছে রাজধানীর সীমানাতেই। কিন্তু তারাও তাদের দাবিতে অনড়। কোনভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন কৃষি বিল তারা মানবে না। একদিকে তারা এখন রাজধানীর সীমানা অবরোধ করে দাঁড়িয়ে রয়েছে ওর সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রস্তাব খারিজ করেছে। আর সেই কারণেই, বিজেপির কৃষি ভাবমূর্তির উপরে দারুণ প্রভাব পড়ছে বলে জানাচ্ছে বিজেপির একাংশ। তাই তারা চাইছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সমস্যা দূর হোক।

মঙ্গলবার কৃষক সংগঠন ও কেন্দ্রীয় সরকারের মুখোমুখি বৈঠক হয়েছে। যেখানে কৃষক সংগঠনের ৩২ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।ও কেন্দ্রে তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার। কিন্তু মঙ্গলবারের বৈঠকে মেলেনি কোন সমাধান বরং সরকারের তৈরি কমিটিকে খারিজ করেছে কৃষকরা। তাই এবার ৩ রা ডিসেম্বর ফের বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এদিকে দলের এক কর্মী জানিয়েছে, বারানসি থেকে প্রধানমন্ত্রী কৃষক দের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন কৃষি বিল কৃষকদের পক্ষেই। এতে তাদের কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু এই কথার পরেও কৃষকরা পিছু হটতে নারাজ। স্বাভাবিকভাবেই এই কৃষি বিল নিয়ে কৃষকদের আন্দোলন, যার ফলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব অনেকটাই উদ্বেগের মধ্যে বলে জানা গেছে। আর তা প্রধানমন্ত্রীর কথায় কিছুটা হলেও পাওয়া গেছে, তিনি জানিয়েছেন কেন্দ্রের উদ্দেশ্য গঙ্গার মতোই পবিত্র।

বর্তমানে বিজেপি কৃষি ভাবমূর্তির উপর একটা বিশাল প্রভাব পড়েছে, যার ফলে সূত্রের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, আগামী দিনে বিজেপি তাদের প্রোফাইল ইমেজ ধরে রাখতে, কৃষি উন্নয়ন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার প্রচার শুরু হবে। তবে বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই আন্দোলনের পিছনে রাজনৈতিক পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এর পেছনে রয়েছে উসকে দেওয়ার মানুষ। কারণ গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশের কৃষকরা সরকারের প্রতি আস্থা রেখেছে। দেশের অন্য কোথাও কৃষি বিল নিয়ে এমন বিক্ষোভ চোখে পড়েনি।