বিজেপির সাংগঠনিক স্তরে ফের রদবদল, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরানো হল সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে

13
বিজেপির সাংগঠনিক স্তরে ফের রদবদল, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরানো হল সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে

সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত অনুসারে বিজেপির সাংগঠনিক স্তরে আবারো রদবদল করা হয়েছে। বুধবার, পশ্চিমবঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে পদ থেকে সরিয়ে দেয় বিজেপি। যার ফলে বিজেপি দলের অভ্যন্তরের গোলযোগ আবারো একবার প্রকাশ্যে এলো। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বারবার দলীয় সাংগঠনিক স্তরে রদবদল করছে বিজেপি। সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বদলে বাংলায় বিজেপির দলীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হলেন অমিতাভ চক্রবর্তী।

উল্লেখ্য, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় আবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাই তাকে সরিয়ে দেওয়া মানে পরোক্ষে দিলীপ ঘোষের শক্তি খর্ব করা, বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এমতাবস্থায় দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে আগ্রহী রাজনৈতিক মহল। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, পরিস্থিতি আরও গম্ভীর হলে সম্ভবত পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন দিলীপ ঘোষ।

দীর্ঘ সাত বছর ধরে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ সামলেছেন সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। তবে এই দীর্ঘ সময় কালে তার বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন একুশের নির্বাচন উপলক্ষে সাংগঠনিক স্তর ঢেলে সাজাচ্ছে বিজেপি। তাই দিল্লির নির্দেশে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে দলীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরানো হলো। তবে, সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যখনই কোনো অভিযোগ উঠেছে তখনই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

উল্লেখ্য, এর আগেও বহুবার সুব্রত মুখোপাধ্যায় কে পদ থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। প্রতিবারই এমন দাবির বিরোধিতা করেছেন দিলীপ ঘোষ। চলতি মাসেও যখন দিল্লির একটি বৈঠকের সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে অভিযোগ ওঠে তখন রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, সুব্রত বাবুকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলে তিনিও ইস্তফা দেবেন। এখন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ কি প্রতিক্রিয়া দেন, সে সম্পর্কে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে।