বিজেপি ঘরছাড়া কর্মীদের জাতীয় মহিলা কমিশনের সাথে দেখা করতে বাধা! অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

29
বিজেপি ঘরছাড়া কর্মীদের জাতীয় মহিলা কমিশনের সাথে দেখা করতে বাধা! অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

পুলিশের বিরুদ্ধে এবার বিজেপি কর্মীদের তরফ থেকে এক অভিযোগ উঠল। যে সমস্ত বিজেপি কর্মীরা ঘরছাড়া তারা চেয়েছিল জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যদের সাথে দেখা করতে, কিন্তু দেখা করতে আটকেছে পুলিশ, এমনই অভিযোগ উঠেছে। এইরকম অভিযোগ ওঠার পরেই, জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য আর বি এল দেশাই সেই সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের ধমক দিয়েছেন। পূর্ব বর্ধমানের পাশাপাশি তিনটি জেলায় এখন ঘরছাড়া অবস্থায় রয়েছে অনেক বিজেপি সমর্থক। গত সোমবার সেই সমস্ত বিজেপি কর্মীরা বর্ধমানের সার্কিট হাউসে উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁদের অভিযোগ জানাতে, কিন্তু সেই অভিযোগ যখন তারা জানাতে যায় তখন পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

এইরকম বাধার কথা জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য জানলে নিজেই সার্কিট হাউজের গেটে এসে উপস্থিত হন। সেই সময় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ হিসেবে ছিলেন সুপার কল্যাণ সিং রায়, এসডিপিও আলিমুল ইসলাম খান, ডিএসপি হেডকোয়ার্টার সৌভিক পাত্র এবং আরেকজন ছিলেন বর্ধমান থানার আই সি পিন্টু সাহা। জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য আর বি এল দেশাই সেই সমস্ত পুলিশদের প্রশ্ন করে যে, কমিশনের কাছে তারা অভিযোগ জানাতে এসেছে, তাদের কেন বাধা দেওয়া হয়েছে?

প্রশ্ন করার সাথে কমিশনের তরফ থেকে বলে দেওয়া হয়েছে স্পষ্ট করে, “কোন ঘরছাড়া বিজেপি কর্মী যদি আসে তাহলে তাদের কোন রকম ছবি তোলা হবে না এবং নাম-ঠিকানা নেওয়া হবে না”। রাজ্যে বিধানসভা ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই নানা জায়গায় হিংসার ঘটনা দেখা দিচ্ছে।

বিজেপি কর্মীরা দাবি করেছেন, শাসক দলের অত্যাচারে বিজেপি কর্মীদের ঘর ছাড়া থাকতে হচ্ছে এবং তারা যদি ঘরে ফিরতে চায় তাহলে তাদের মোটা টাকা দিতে হচ্ছে। এক ঘরছাড়া বিজেপি সমর্থক নদীয়া থেকে এসে জানায় যে, ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার ঠিক পরে শাসকদলের অত্যাচারে তারা ঘরছাড়া হয়ে রয়েছে। অনেক জায়গাতে বিজেপির সমর্থকদের খুন করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

বর্ধমান এ এসেই সেই নদীয়ার বিজেপি সমর্থক এই অভিযোগ করেন। কমিশনের সদস্যরা এই সমস্ত ঘটনা জানার পর,সেই বিজেপি সমর্থকের সুরক্ষার সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কমিশন।