বিজেপি “সতীলক্ষী”দের ঘর ভাঙ্গে! অসতীদের পূজা করে! বিস্ফোরক সুজাতা খাঁ মন্ডল

7
বিজেপি

হালফিলের ঘটনা গুলির মধ্যে রাজনৈতিক মহলে দলবদল এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ। রাজ্যের এই দলবদলের রাজনীতিতে সাধারণ মানুষ দোলাচলে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তৃণমূল দল ছেড়ে একের পর এক নেতাকর্মী সাংসদ বিধায়ক যখন বিরোধী রাজনৈতিক শিবির (বিজেপি) শিবিরের প্রতি পা বাড়াচ্ছেন তখনকার কার্যত উলটপুরান ঘটিয়েছেন সুজাতা খাঁ মন্ডল।

প্রাক্তন বিজেপি নেত্রী সুজাতা খাঁ মন্ডলের রাজনৈতিক দলবদল প্রসঙ্গ এতটাই গুরুতর আকার ধারণ করেছিল যে, তার বিজেপি স্বামী তাকে এক লহমায় ডিভোর্স দিয়ে দিতে চেয়েছেন। স্রোতের বিপরীতে হেঁটে, সংসার হারিয়ে, পুরনো দল ত্যাগ করে কেন তৃণমূলে এসেছেন সুজাতা খাঁ মন্ডল? বর্তমান তৃণমূল নেত্রী কি বলছেন? নিজের স্বামী সৌমিত্র খাঁয়ের কেন্দ্র বিষ্ণুপুরের খণ্ডঘোষ বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের আয়োজিত একটি জনসভায় এসে তার উত্তর দিলেন সুজাতা।

বিজেপির বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, এই দল “অসতী নারী”দের স্থান দেয়! সিডিউল কাস্টের সেখানে কোনো স্থান নেই। এই দল কার্যত অপরের ঘর ভাঙ্গে! প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে এমনই গুরুতর অভিযোগ আনলেন সুজাতা খাঁ মন্ডল। সুজাতা এদিন বলেছেন, একসময় তিনি তার স্বামী এবং তার পরিবারের সকলেই তৃণমূল দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে রাজনৈতিক কারণে তার স্বামী যখন বিজেপি দলে নাম লেখান, তখন তিনিও স্বামীর পথ অনুসরণ করেছিলেন।

শুধু তাই নয়, স্বামীর আদর্শকে নিজের আদর্শ হিসেবে মেনে নিয়ে তিনি রাতদিন এক করে বিজেপি দলের জন্য পরিশ্রম করে গিয়েছেন। কিন্তু বিজেপি এসসি মহিলাদের সম্মান দেয় না! বদলে সারদা-নারদা-ইডির ভয়ে দলত্যাগ করা নেতাদের “অসতী” বান্ধবীরাই এই দলে সুবিধা পান, নেত্রী হন। তিনি এও বলেছেন, বিজেপি “সতীলক্ষী”দের ঘর ভাঙ্গে! অসতীদের পূজা করে। তাই এই দল থেকে সাবধান! নতুবা আপনার ঘরও ভাঙতে পারে, এমনই সাবধানবাণী শোনালেন সুজাতা খাঁ মন্ডল।